Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী মোদীর ২৫ বছরের জনসেবা উদযাপনে দেশজুড়ে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’

 

Seva-Sankalp-Abhiyan

সমকালীন প্রতিবেদন : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ২৫ বছরের সংসদীয় ও প্রশাসনিক জনসেবাকে স্মরণীয় করে রাখতে দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত সময়কালে আয়োজিত এই সামাজিক কর্মসূচীর মূল লক্ষ্য– প্রধানমন্ত্রীর জনকল্যাণমুখী ভাবধারাকে উদযাপন করা এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর অঙ্গীকারকে দেশবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। বুধবার বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে এব্যাপারে বিস্তারিত জানান রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া।

তিনি জানান, এই অভিযানে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রশাসন, ভারতীয় জনতা পার্টি এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন একযোগে কাজ করবে। কর্মসূচীর প্রথম দিন অর্থাৎ ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় দেশজুড়ে ‘আশীর্বাদ কা দিয়া’ অভিযানের সূচনা হবে। যেখানে বুথ স্তরের দলীয় কর্মীরা প্রতিটি সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীর বাড়িতে গিয়ে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করবেন। পাশাপাশি ‘আশীর্বাদ কা দিয়া’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে নাগরিক ও প্রতিনিধিরা সামাজিক মাধ্যমে ছবি শেয়ার করবেন।

জনসংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত হচ্ছে ২৫ কোটি শিশুর অংশগ্রহণে দেশব্যাপী অঙ্কন ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। বিদ্যালয় স্তরে এই আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হবে মোদী সরকারের কল্যাণমূলক প্রকল্প ও ২০৪৭ সালের ভারতের রূপকল্প। শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশের ১৪ লাখেরও বেশি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আয়োজিত হবে ৩ দিনের ‘অঙ্গন উৎসব’। পাশাপাশি, জনসেবার মাধ্যমে জীবন বদলে যাওয়ার গল্প তুলে ধরতে ২৫ লাখ মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে তৈরি হবে সংক্ষিপ্ত ভিডিওচিত্র।

জনসাধারণকে সচেতন করতে লোকশিল্পীদের মাধ্যমে আয়োজিত হবে ‘সেবা গান’ নামের পথনাটক, যা গানে গানে পৌঁছে যাবে গ্রামের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত। পাশাপাশি যুব সমাজ, স্টার্টআপ এবং উদ্ভাবকদের নতুন দিশা দেখাতে কলকাতা, বেঙ্গালুরু, দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে আয়োজিত হবে ‘রাষ্ট্রীয় ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’।

নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করতে প্রতিটি বিধানসভায় বসবে ‘সেবা সেতু’ শিবির, যা এক ছাদের নিচে সরকারি পরিষেবার দ্রুত নিষ্পত্তি ঘটাবে। সাধারণ মানুষের জন্য রক্তদান, বৃক্ষরোপণ, স্বচ্ছতা অভিযান এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা সহ মোট ২৫টি সামাজিক সেবামূলক কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে নাগরিকরা অন্তত ২৫ মিনিট সময় প্রদান করে স্বেচ্ছাশ্রম দেবেন। 

সমগ্র কর্মসূচীর জমকালো সমাপ্তি ঘটবে আগামী ১৭ অক্টোবর। দিল্লির নিকটবর্তী কোনো প্রাঙ্গণ বা বারাণসীতে আয়োজিত হবে ‘জনসেবক মহাকুম্ভ’। যেখানে দেশজুড়ে প্রায় ১.২৫ লাখ পঞ্চায়েত প্রধান ও জনপ্রতিনিধি একত্র হয়ে ৬টি স্তবকে 'বন্দে মাতরম' গেয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়বেন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ‘বিকশিত ভারত’-এর সংকল্প গ্রহণ করবেন।‌




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন