Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের লড়াইয়ে মহম্মদ সামি

 ‌

Mohammed-Shami

সমকালীন প্রতিবেদন : দলীপ ট্রফিতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ভারতীয় টেস্ট দলে নিজের প্রত্যাবর্তনের দাবি নতুন করে জোরালো করলেন অভিজ্ঞ পেসার মহম্মদ সামি। ২০২৬ সালের দলীপ ট্রফিতে পূর্বাঞ্চলের হয়ে তিনটি ম্যাচে ২৬.৫৭ গড়ে ৭টি উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন তিনি। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর সামির মতো একজন অভিজ্ঞ বোলারকে বারবার নিজেকে প্রমাণ করতে হওয়ায় ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন ভারতের ‌প্রাক্তন ওপেনার ওয়াসিম জাফর।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দলীপ ট্রফির ফাইনাল এবং সামির বোলিংয়ের নিখুঁত বিশ্লেষণ করেন জাফর। ঈশান কিষানের দ্বিশতরানের পাশাপাশি ম্যাচের অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয় সামির সুনিয়ন্ত্রিত স্পেল। ব্যাটারদের ওপর ধাপে ধাপে চাপ সৃষ্টি করার কৌশল ও নতুন-পুরোনো উভয় বলেই তাঁর দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রাক্তন এই ওপেনার। একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলে তিনি জানান, ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাঁর অবদান অপরিসীম, সেই তারকাকে দল নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

জাফরের মতে, নতুন বলে সুইং এবং পুরোনো বলে রিভার্স সুইং করার ক্ষেত্রে সামির মতো দক্ষতা সম্পন্ন বোলার বিশ্বক্রিকেটে বিরল। তাই আন্তর্জাতিক সার্কিট ও জাতীয় দলের একাদশে সামির অনুপস্থিতি দেখা সত্যিই কষ্টদায়ক। সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচকমণ্ডলী উদীয়মান তরুণ পেসারদের সুযোগ দেওয়ার নীতি গ্রহণ করলেও অভিজ্ঞতার দিক থেকে সামি যে এখনও অনেকটাই এগিয়ে, সেটিই মনে করিয়ে দেন জাফর। নিউজিল্যান্ড সফরের দল নির্বাচনের আগে সামির এই দলীপ ট্রফির ছন্দে ফেরা নির্বাচকদের ওপর প্রবল নৈতিক চাপ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০২৩ সালের টেস্ট ম্যাচ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালের পর চোট সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সামির জাতীয় দলে অনিয়মিত আগমন ঘটে। ঘরোয়া ক্রিকেটে মাঠে নেমে তিনি শুধু ম্যাচ ফিটনেসই ফেরত পাননি, সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের বোলিংয়ের ধারও বজায় রেখেছেন। একই প্রসঙ্গে আরেক পেসার জশপ্রীত বুমরাকে নিয়েও মূল্যবান পরামর্শ দেন ওয়াসিম জাফর। ১৩ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তান সিরিজ ও পরবর্তীতে জাপানে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এশিয়ান গেমসের তীব্র প্রতিযোগিতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জাফর জানান, সরাসরি কোনো বড় মঞ্চে নামার আগে বুমরার জন্য অন্তত কয়েকটি ম্যাচ খেলা জরুরি, যাতে ম্যাচ ফিটনেস সংক্রান্ত ঝুঁকি কমানো যায়।

সামি এবং বুমরা– উভয় পেসারের জন্যই সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে অভিজ্ঞ মহম্মদ সামির পারফরম্যান্স ও ম্যাচ ফিটনেসকে নির্বাচকেরা কীভাবে বিবেচনা করেন এবং জাতীয় দলের দরজা তাঁর জন্য পুনরায় খোলে কি না, সেটিই এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রধান দেখার বিষয়।‌‌




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন