Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ‌করতে কাঁটাতার বসানো নিয়ে পুলিশ–বিএসএফ বৈঠক

 

Police-BSF-Meeting

সমকালীন প্রতিবেদন : উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জেলা প্রশাসন ও বিএসএফ। দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও নানা ধরনের সীমান্ত অপরাধের ঝুঁকি ক্রমশ বেড়ে চলছিল। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছিল। রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের উদ্যোগে অবশেষে এই দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে জোরালো প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে প্রশাসন।

সোমবার বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত বিএসএফের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে সীমান্ত এলাকায় দ্রুত কাঁটাতার বসানোর কাজ শুরু করা এবং তা যথাসম্ভব শীঘ্রই সম্পূর্ণ করার বিস্তারিত রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতা দূর করা, সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা এবং নজরদারি বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় হয়।

প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, বাগদা সীমান্তের প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় এখনও কাঁটাতার বসানো সম্ভব হয়নি। সেইসব এলাকা চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, এই অরক্ষিত এলাকাগুলোকেই অনুপ্রবেশকারী ও চোরাকারবারিরা অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের জন্য ব্যবহার করে। ফলে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে এই বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

এদিন বাগদা এবং বনগাঁ এলাকায় পৃথক দুটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সীমান্ত এলাকায় জমি সংক্রান্ত জটিলতার দ্রুত সমাধান করে যাতে কাঁটাতার নির্মাণের কাজ কোনোভাবেই বিলম্বিত না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত এ প্রসঙ্গে জানান, “সীমান্তে কাঁটাতার স্থাপনের বিষয় নিয়ে পুলিশ ও বিএসএফের মধ্যে সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে জমি হস্তান্তর, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।”

পুলিশ ও বিএসএফের এই যৌথ উদ্যোগ সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। কাঁটাতার বসানোর কাজ শুরু হলে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।‌




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন