সমকালীন প্রতিবেদন : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বুধবার কার্যত উৎসবের মেজাজে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন বনগাঁ মহকুমার বাকি তিন তৃণমূল প্রার্থী। এদিন বনগাঁ দক্ষিণ, বাগদা ও গাইঘাটা– এই তিন বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীরা বিশাল শোভাযাত্রা করে মহকুমা শাসকের দপ্তরে উপস্থিত হন। বনগাঁ উত্তরের প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস আগেই তাঁর মনোনয়ন পেশ করেছেন। আজ বাকি তিন প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।
এদিন তৃণমূল প্রার্থীদের সমর্থনে কর্মী-সমর্থকদের ঢল নেমেছিল বনগাঁর রাস্তায়। হুডখোলা গাড়িতে চড়ে জনতাকে অভিবাদন জানাতে জানাতে মনোনয়ন জমা দিতে আসেন প্রার্থীরা। বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ঋতুপর্ণা আঢ্য। বাগদা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেশ করলেন মধুপর্ণা ঠাকুর। আর গাইঘাটা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাসও আজ তাঁর লড়াইয়ের আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন।
বিশাল জনসমাগমের কারণে এদিন বনগাঁ শহর ও সংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভিড়ের চাপে বনগাঁ ১ নম্বর গেট এলাকায় আটকে পড়েন গাইঘাটার প্রার্থী নরোত্তম বিশ্বাস। মহকুমা শাসকের দপ্তরে পৌঁছাতে তাঁর বেশ কিছুটা দেরি হয়। সমস্যায় পড়তে পথচলতি সাধারণ মানুষকেও।
এই পরিস্থিতি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে নরোত্তম বিশ্বাস বলেন, "আমি অগুনতি কর্মী-সমর্থক সঙ্গে নিয়ে এসেছি। কিন্তু বনগাঁ ১ নম্বর গেটে আমাদের অনেকটা সময় আটকে থাকতে হয়েছে। কী উদ্দেশ্যে বা কেন এই কৃত্রিম যানজট তৈরি করা হলো, তা আমার জানা নেই।"
এদিনের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বনগাঁ মহকুমা শাসকের দপ্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। তৃণমূল শিবিরের এই ব্যাপক জমায়েত রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টির কৌশল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন