সমকালীন প্রতিবেদন : ২০২৪-এর রাজমুকুট মাথায় নিয়ে ফের বিদেশের মাটিতে পা রাখছে টিম ইন্ডিয়া। তবে এবার প্রতিপক্ষ হিসেবে সামনে ডাবলিনের ‘গ্রিন আর্মি’। জুন মাসের তৃতীয় সপ্তাহে আয়ারল্যান্ড সফরে যাচ্ছে ভারত। তিন ম্যাচের এই টি-টোয়েন্টি সিরিজটি মূলত ইংল্যান্ড সফরের প্রস্তুতি হিসেবেই দেখছেন গৌতম গম্ভীর ও বিসিসিআই নির্বাচকরা। ১ জুলাই থেকে হ্যারি ব্রুকদের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের হাই-ভোল্টেজ সিরিজের আগে এই সফর ক্রিকেটারদের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে।
ভারতের এই সফরের আগে বড়সড় ডামাডোল আয়ারল্যান্ড শিবিরে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের দায় নিয়ে অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন অভিজ্ঞ পল স্টার্লিং। স্টার্লিংয়ের বিদায়ে নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়েছে আইরিশরা। তবে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের শীর্ষকর্তা গ্রাহাম ওয়েস্ট একে একটি সুযোগ হিসেবেই দেখছেন। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভারতের বিরুদ্ধেই নতুন অধিনায়কের অভিষেক হতে চলেছে। নতুন অধিনায়ক এই সিরিজে নিজের নিজস্ব রণকৌশল ও পরিকল্পনা প্রয়োগ করার অবারিত সুযোগ পাবেন।
ভারতীয় দলের ক্যালেন্ডার এখন বেশ ব্যস্ত। ২০ জুন ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট ও একদিনের সিরিজ শেষ করেই আয়ারল্যান্ডের বিমান ধরবে টিম ইন্ডিয়া। আয়ারল্যান্ড সফর সেরে ১ জুলাই থেকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি এবং তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামবে ভারত। যদিও সফরের চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও সরকারিভাবে ঘোষণা করা বাকি, তবে আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এই সিরিজের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরিসংখ্যান বলছে, গত সাত বছরে এটি হবে ভারতের চতুর্থ আয়ারল্যান্ড সফর। এর আগে ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৩ সালেও আইরিশদের ডেরায় আধিপত্য বজায় রেখেছিল ভারত। ফের একবার ডাবলিনে ভারতীয় দলের আগমনের খবরে স্থানীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মোকাবিলা করার আগে আয়ারল্যান্ড তাদের নতুন সেনাপতি হিসেবে কার নাম ঘোষণা করে, এখন সেটাই দেখার।






কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন