Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

গোপাল শেঠকে চেয়ারম্যান করে বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রস্তুতি সভায় গঠিত হল দুই কমিটি

 

Trinamool-Preparatory-Meeting

সমকালীন প্রতিবেদন : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ঘর গোছাতে শুরু করল ঘাসফুল শিবির। বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে জয় সুনিশ্চিত করতে এবং রণনীতি চূড়ান্ত করতে বৃহস্পতিবার বনগাঁর নীলদর্পণ ভবনে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। দলীয় প্রার্থী তথা জেলা সভাপতির উপস্থিতিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এদিনের বৈঠকে বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাসের নেতৃত্বে সমস্ত স্তরের জনপ্রতিনিধি, পঞ্চায়েত সদস্য, কাউন্সিলর এবং বুথ স্তরের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত নেতৃত্বরা তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরেন। কিভাবে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীকে জয়ী করতে হবে, তার রূপরেখা বলে দেন।

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে এদিনের বৈঠকে দুটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১. বিধানসভা কমিটি: যা সমগ্র উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের সামগ্রিক প্রচার ও সমন্বয়ের দায়িত্ব সামলাবে। ২. শহর কমিটি: বনগাঁ শহর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে নিবিড় জনসংযোগ ও ভোট পরিচালনার কাজ তদারকি করবে এই কমিটি। বিধানসভা কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রাক্ত পুরপ্রধান গোপাল শেঠকে।

বৈঠকের প্রধান বক্তা বিশ্বজিৎ দাস কর্মীদের উদ্দেশে কড়া অনুশাসনের পাশাপাশি একজোট হয়ে লড়াই করার আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, সরকারের উন্নয়নমূলক কাজগুলি প্রতিটি দুয়ারে পৌঁছে দেওয়াই হবে মূল হাতিয়ার। প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণার পর থেকেই তিনি এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন, আর আজকের এই বৈঠক সেই সক্রিয়তাকে সাংগঠনিক রূপ দিল।

এব্যাপারে বিশ্বজিৎ দাস বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস সারা বছর মানুষের পাশে থাকে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রায় ৩৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন, এই পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে তিনি ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন। বনগাঁকে বিজেপির হাত থেকে সর্বশক্তি দিয়ে উদ্ধার করবেন। 

বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। মতুয়া ভোট ব্যাংক থেকে শুরু করে সীমান্ত এলাকার সমস্যা– একাধিক ইস্যু এখানে ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর কমিটির মাধ্যমে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া তৃণমূলের এক সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে। বিরোধীদের মোকাবিলায় বুথ স্তর পর্যন্ত সংগঠনকে নিশ্ছিদ্র করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল।‌




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন