যুবরাজ জানান, কেরিয়ারের শেষ পর্যায়ে এসে তিনি আর ক্রিকেট উপভোগ করতে পারছিলেন না। মাঠে নামার আগে বারবার মনে হতো, কেন তিনি এখনও খেলছেন এবং কার জন্যই বা খেলছেন। তাঁর কথায়, সমর্থনের অভাব ও বারবার অসম্মানিত হওয়ার অনুভূতি তাঁকে মানসিক ও শারীরিক ভাবে ভেঙে দিয়েছিল। সেই হতাশা থেকেই ক্রিকেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের দলে সুযোগ না পেয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি আইপিএল থেকেও অবসর নেন যুবরাজ।
যদিও খেলার প্রতি ভালোবাসা কমেনি বলেই দাবি তাঁর। তবে আনন্দহীন ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার কোনও অর্থ খুঁজে পাননি তিনি। যুবরাজ আরও বলেন, অবসর নেওয়ার দিন থেকেই তিনি যেন আবার নিজেকে ফিরে পান। কার কাছ থেকে তিনি সমর্থন পাননি বা কে তাঁকে অসম্মান করেছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাননি যুবি।
ভারতের সীমিত ওভারের ক্রিকেট ইতিহাসে যুবরাজ সিংয়ের অবদান অনস্বীকার্য। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে তাঁর ভূমিকা আজও স্মরণীয়। তাঁর এই স্বীকারোক্তি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ক্রিকেট মহলে।






কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন