Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

শুক্রবার, ৯ জুন, ২০২৩

তীব্র দহনজ্বালা থেকে আপাতত স্বস্তি দিল শুক্রবার দুপুরের বৃষ্টি

 

Temporary-relief-from-burns

সমকালীন প্রতিবেদন : ‌তীব্র তাপপ্রবাহের পর অবশেষে স্বস্তি মিললো। শুক্রবার দুপুর গড়াতেই কালো মেঘে ঢাকলো আকাশ। আর তারপরই নামলো ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। শীতল হল কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা। দহন জ্বালা থেকে আপাতত রেহাই মিললো বঙ্গবাসীর।

২৪ ঘন্টা আগেও আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর বর্তমান পরিস্থিতির কথা জানাতে পারে নি। তবে এদিন সকালে আচমকাই বদলে যায় গোটা পরিস্থিতি। আর এদিন সকালে তারই ইঙ্গিত দিয়েছিলো হাওয়া অফিস। তাদের সেই আগামবার্তা দুপুরের পরেই সত্য প্রমান করে নামলো শান্তির বারি। 

গত কয়েকদিনের গরমে নাজেহাল হয়ে পরেছিল রাজ্যবাসী। তাপপ্রবাহের জেরে ঘর থেকে বের হওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। তা সত্ত্বেও বহু মানুষকে কাজের তাগিয়ে বের হতে হয়েছে। কার্যত নাভিশ্বাস উঠেছে সকলেরই। সেই পরিস্থিতিতে একটাই প্রশ্ন ছিল, কবে নামবে বৃষ্টি? 

গতকাল আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছিল, রবিবার থেকে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হবে দক্ষিণবঙ্গে। তাই রবিবার পর্যন্ত গরমের জ্বালা সহ্য করতে হবে রাজ্যের মানুষকে। তবে তার আগেই পরিস্থিতির বদল ঘটে গেল। শুক্রবার দুপুরেই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামল তিলোত্তমা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে। কমবেশি বৃষ্টি হল অধিকাংশ জেলাতেই। 

এদিন বেলা তিনটে কলকাতা সহ আশপাশ এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। সঙ্গে ছিল ঝোড়ো হাওয়া। প্রায় একঘণ্টা ধরে চলে এই বৃষ্টি। এরপর দুই ২৪ পরগনা সহ বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি নামে। জেলার কোথাও কোথাও গাছ ভেঙে পড়ে। সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ বিভ্রাটও দেখা দেয় কিছু কিছু এলাকায়। 

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, রবিবার উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢুকবে। তার আগে শনিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ির কিছু অংশে। 

আর রবিবারই উত্তরবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করবে বলে আশা করছে হাওয়া অফিস। শুরু হবে ভারী বৃষ্টি। রবি ও সোমবার উত্তরবঙ্গের এবং সিকিমের বেশ কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা।

সাধারণত উত্তরবঙ্গ হয়ে বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করার কথা। কিন্তু হাবোয়া অফিসের আপাতত পূর্বাভাস, গরম থেকে এখনই রেহাই মিলছে না দক্ষিণবঙ্গবাসীর। 

আগামী কয়েক দিনও দক্ষিণের বেশ কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা থাকছে। এই জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, দুই বর্ধমানের মতো বেশ কয়েকটি জেলা। ফলে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বর্ষার প্রবেশে দিন কয়েক দেরি হবে। 






কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন