Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

রবিবার, ১১ জুন, ২০২৩

ঠাকুরবাড়িরে মন্দিরে অভিষেকের পুজো দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক গোলমাল

 

Huge-noise-in-Thakurbari

সমকালীন প্রতিবেদন : সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জীর ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হল। অভিষেক সেখানে যাওয়ার আগেই বন্ধ করে দেওয়া হল মূল মন্দিরের গেট। মতুয়াদের দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির জেরে আহত হলেন বেশ কয়েকজন মহিলা।

ঠাকুরবাড়িতে পুজো দিয়ে রবিবারের নব জোয়ার কর্মসূচি শুরু করার কথা ছিল অভিষেক ব্যানার্জীর। সেই অনুযায়ী সমস্তরকম আয়োজন করা হয়। দুপুর ৩ টে নাগাদ অভিষেকের সেখানে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই ঠাকুরবাড়িতে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। 

এদিন শান্তনুপন্থী সারা ভারত মতুয়া মহা সংঘের পক্ষ থেকে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত একাংশের মতুয়াভক্ত কালো পতাকা হাতে নিয়ে অভিষেককে মন্দিরে ঢুকতে না দেওয়ার হুমকি দেন। তৃণমূলের অভিযোগ, দুপুর ৩ টে নাগাদ শান্তনু ঠাকুর মন্দিরের গেট বন্ধ করে দেন। ভেঙে দেওয়া হয় তৃণমূলের লাগানো তোরণ। আর তারপরই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

দুপুর সাড়ে ৩ টে নাগাদ রামচন্দ্রপুর ক্যাম্প থেকে ঠাকুরনগর মন্দিরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন অভিষেক। যেহেতু মূল মন্দিরের গেট বন্ধ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঠাকুরবাড়ি চত্ত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, সেহেতু তৃণমূলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বড়মা বীনাপানি ঠাকুরের ঘরের সামনের মন্দিরে অভিষেক ব্যানার্জীর পুজো দেওয়ার ব্যবস্থা করে পুলিশ।

৩ টে ৫০ মিনিট নাগাদ ঠাকুরবাড়িতে এসে পৌঁছান অভিষেক। দ্বিতীয় মন্দিরে পুজো দিয়ে তিনি বড়মার ঘরে যান। সেখানে প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর তাঁকে পুষ্পস্তবক এবং অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। এরপর বড়মার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান অভিষেক।

৫ মিনিটের এই কর্মসূচি সেরে বাইরে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এদিনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করে অভিষেক জানান, তিনি যাতে ঠাকুরবাড়িতে না ঢুকতে পারেন, তারজন্য সকাল থেকে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। অশান্তি এড়াতে তিনি বিকল্প পথে পুজো দেন। তিনি রাজনীতি করতে ঠাকুরবাড়িতে আসেন নি।

এদিন তিনি অভিযোগ করেন, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছেন শান্তনু ঠাকুর। এর জবাব মানুষ দেবে। শান্তনু ঠাকুরের পতন অবধারিত। শান্তনু ঠাকুরকে এখন থেকেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে লেটার প্যাড ছাপিয়ে রাখার পরামর্শ দেন অভিষেক। 

অভিষেকের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে এদিন শান্তনু ঠাকুর পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, তৃণমূলের কয়েকজন নেতা, মন্ত্রী মন্দিরে ঢুকে গোলমাল বাধায়। আর তার কারণেই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিষেককে মন্দিরে ঢোকার জন্য কেউ বাধা দেয় নি। এদিন ঠাকুরনগর থেকে  বিকেল ৪ টে ২০ মিনিট নাগাদ হাবড়ার কর্মসূচির উদ্দেশ্যে রওনা দেন অভিষেক।









কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন