Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৩

ইছামতী নদীর ২৪ কিমি এলাকা ড্রেজিং করবে কেন্দ্র

 

Dredging-Ichamati-river

সমকালীন প্রতিবেদন : ‌জলপথে বাংলাদেশের সঙ্গে বহি:‌বানিজ্যের কাজ ত্বরান্বিত করতে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে ইছামতী নদী সংস্কারের কাজ শুরু হল। রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার তরণীপুর এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কাজের সূচনা করলেন বনগাঁর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। 

ইছামতী নদীর নাব্যতা বাড়াতে বাম আমলের শেষ দিকে নদী সংস্কারের কাজ করা হয়। পরবর্তীতে তৃণমূল সরকারের উদ্যোগেও এই নদী সংস্কার করা হয়। এতোকিছুর পরেও ইছামতী ততটা খরস্রোতা হয়ে ওঠে নি। ফলে নতুন করে এই নদী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

শেষ লোকসভা নির্বাচনের আগে শান্তনু ঠাকুর এলাকার মানুষকে কথা দিয়েছিলেন, নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি এই নদী সংস্কারের উদ্যোগ নেবেন। এখন কথা রাখার পালা। এদিন নিজের ভাষণে সেকথাই তুলে ধরলেন শান্তনু ঠাকুর। 

সাংসদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার সুবাদে তিনি এই নদী সংস্কারের ব্যাপারে কেন্দ্র সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ অনুমোদন করাতে পেরেছেন।

জানা গেছে, জাতীয় জলপথ–৪৪ এর তত্ত্বাবধানে প্রথম পর্যায়ে কালাঞ্চি থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত মোট ২৩.‌৮১ কিলোমিটার নদী এলাকা সংস্কারের কাজ করা হবে। বর্তমানে ইছামতী নদী যেহেতু কচুরিপানায় ভরা, তাই প্রথমে সেই কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ করা হবে। তারপর নদীর তলদেশ থেকে পলি তোলার কাজে হাত দেওয়া হবে।

এই অংশের পরেই ইছামতী নদীর প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করেছে। সেই কারণে আপাতত ওই অংশের সংস্কারের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। এব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন পেতে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে শান্তনু ঠাকুর জানান। আগামীতে গোটা নদীটাই সংস্কার করা হবে বলে এদিন তিনি জানান।

এদিন নারকেল ফাটিয়ে, ড্রেজিং মেশিন চালিয়ে নদী সংস্কারের কাজের সূচনা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় জলপথ মন্ত্রকের চেয়ারম্যান সঞ্জয় ব্যানার্জী সহ দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকেরা। ছিলেন বনগাঁ পুরসভার কাউন্সিলর দেবদাস মন্ডলও। তবে রাজ্য সরকারের কোনও প্রতিনিধি এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। 

এদিন শান্তনু ঠাকুর জানান, শুধু নদী সংস্কার নয়, রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করে দিলে এই নদীর উপরে ভারি সেতুও নির্মাণ করে দেওয়া হবে। আর তাতে বসিরহাটের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য প্রায় ৫০ কিলোমিটার পথ কমে যাবে। জমি অধিগ্রহণের ব্যাপারে রাজ্য সরকার সহযোগিতা করবে বলে আশাবাদী সাংসদ।






কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন