সমকালীন প্রতিবেদন : দুর্গাপুজোর আগেই বনগাঁর যশোর রোডের পাশে থাকা বিপজ্জনক গাছ কাটার কাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ল। এই বিষয়ে শুক্রবার বনগাঁর মহকুমাশাসক প্রগতি নৌটিয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের খাদ্য ও সমবায় মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। বৈঠক শেষে যশোর রোডের গাছ কাটার পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
মন্ত্রী জানান, যশোর রোডের পাশে চিহ্নিত বিপজ্জনক গাছগুলির মধ্যে ইতিমধ্যেই ১১১টি গাছ কাটার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি আরও ৩৮৯টি গাছ কাটার বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা হয়েছে। গাছগুলির অবস্থান এবং সেগুলির কারণে তৈরি হওয়া সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার বিষয়েই বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বর্ষা এবং ঝড়-বৃষ্টির সময় রাস্তার ধারে থাকা পুরনো বা দুর্বল গাছ ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। যশোর রোড বনগাঁ শহর ও সংলগ্ন এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ হওয়ায় এই ধরনের ঝুঁকি এড়াতে বিপজ্জনক গাছগুলি দ্রুত সরিয়ে ফেলার দাবি দীর্ঘদিনের। সেই কারণেই পুজোর আগে কাজ শেষ করার লক্ষ্যে প্রশাসনের তরফে তৎপরতা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বৈঠকের পর মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া বলেন, যশোর রোডের পাশে চিহ্নিত বিপজ্জনক গাছগুলির মধ্যে ১১১টি গাছ কাটার কাজ চলছে। আরও ৩৮৯টি গাছ কাটার প্রক্রিয়া নিয়ে এদিন আলোচনা হয়েছে। তাঁর আশা, দুর্গাপুজোর আগেই যশোর রোডের পাশে থাকা বিপজ্জনক গাছ কাটার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
এদিনের বৈঠকে বনগাঁ শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা হয়। শহরের কালীতলা এলাকায় ভ্যাটের পাশে পুরসভার পার্কিংয়ের জমিতে একটি রিসাইক্লিং ইউনিট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। সেই প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জমি সংক্রান্ত যে জটিলতা রয়েছে, তা নিয়েও মহকুমাশাসকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
শহরের উন্নয়নের জন্য একাধিক প্রকল্প নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলেও দাবি করেন অশোক কীর্তনীয়া। তাঁর বক্তব্য, বনগাঁ শহরের পরিকাঠামো ও নাগরিক পরিষেবার উন্নয়নে প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন