সমকালীন প্রতিবেদন : রাখিবন্ধন উৎসবের আবহে যখন সমগ্র দেশজুড়ে সম্প্রীতি ও ভাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে পড়ছে, ঠিক তখনই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন পেট্রাপোলে উদ্ধার হলো দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও তাজা কার্তুজ। শুক্রবার দুপুরে গোপন সূত্র থেকে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে যশোর রোডের ধারে হরিদাসপুর সৎসঙ্গ মন্দির সংলগ্ন এলাকায় পেট্রাপোল থানার পুলিশ এক ঝটিকা অভিযান চালায়। সেখানে যশোর রোডের পাশে একটি গাছের গুড়ির ফাঁকে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা একটি কাপড়ের ব্যাগ থেকে অস্ত্র ও কার্তুজগুলি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।
উৎসবে সাধারণ মানুষের আনন্দের আবহ ও সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তার মাঝে এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। উৎসবের সুযোগ নিয়ে কোনো অসামাজিক গোষ্ঠী বা দুষ্কৃতী দল এলাকায় বড়সড় কোনো অশান্তি বা নাশকতা পাকানোর পরিকল্পনা করছিল কি না, সেই নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে নানা প্রশ্ন ও তীব্র গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
খবর পেয়েই ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান পেট্রাপোল থানার ওসি এবং বনগাঁর এসডিপিও। পুলিশ কর্তাদের উপস্থিতিতেই পুরো এলাকাটি খতিয়ে দেখে অস্ত্রগুলি আইনি প্রক্রিয়ায় বাজেয়াপ্ত করা হয়। সমগ্র ঘটনাটি প্রসঙ্গে বনগাঁ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত জানান, রাজ্য জুড়ে বেআইনি অস্ত্র ও বোমাবারুদ উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ অভিযান জারি রয়েছে।
এর আগে বনগাঁ থানা এলাকা থেকেও অস্ত্র কারবারে যুক্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। শুক্রবারও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্রগুলি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। কারা এই বেআইনি অস্ত্র সেখানে মজুত করেছিল এবং এর নেপথ্যে কী ধরনের উদ্দেশ্য লুকিয়ে ছিল, তা খতিয়ে দেখতে পেট্রাপোল থানার পুলিশ ইতিমধ্যে জোরদার তদন্ত শুরু করেছে।






কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন