Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত ছয়ঘরিয়া রাখালদাস হাই স্কুলে বিশেষ অনুষ্ঠান, শ্রদ্ধা খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়ার

 

Rakhal-Das-High-School

সমকালীন প্রতিবেদন : ভারত কেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক স্মৃতিকে স্মরণ করে আজ, ১১ জুলাই শনিবার সকালে বনগাঁর ছয়ঘরিয়া রাখালদাস হাই স্কুলে এক মর্যাদাপূর্ণ ও আবেগঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ১৯৫২ সালের আজকের দিনেই এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ে পদার্পণ করেছিলেন ড. মুখোপাধ্যায়। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে উদ্‌যাপন করতেই স্কুল কর্তৃপক্ষের এই বিশেষ উদ্যোগ।

এদিনের স্মরণানুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত খাদ্য সরবরাহ ও সমবায় মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। ১৯৫২ সালের আজকের দিয়ে পূর্ববঙ্গ থেকে ফেরার সময় বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সেই সময় স্কুলের সম্মুখভাগে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণ করেছিলেন, যা আজ সময়ের হাত ধরে এক বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়েছে। ঐতিহাসিক সেই বৃক্ষের মূলে এদিন পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে ড. মুখোপাধ্যায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন খাদ্যমন্ত্রী।

ড. মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, "পশ্চিমবঙ্গকে ভারতবর্ষের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করার পেছনে প্রধান এবং ঐতিহাসিক ভূমিকা ছিল ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের। এমন এক মহান রাষ্ট্রনায়কের হাতের ছোঁয়া রয়েছে রাখালদাস স্কুলের এই কৃষ্ণচূড়া গাছটিতে। আজ সেই স্মৃতিবিজড়িত গাছটিকে স্পর্শ করতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য ও গর্বিত মনে করছি।"

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোজ সাহা এই বিশেষ দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে জানান, “১৯৫২ সালের আজকের এই পবিত্র দিনেই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় আমাদের বিদ্যালয়ে পদার্পণ করেছিলেন এবং পরিদর্শক বইতে (ভিজিটরস বুক) স্কুল সম্পর্কে অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক বার্তা লিখে স্বাক্ষর করেছিলেন। তাঁর সেই আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা দুই সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি।”

এর পাশাপাশি মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, “এমন একটি ঐতিহাসিক দিনে খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া মহাশয়কে আমাদের মধ্যে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বিগত দিনে তিনি নিজস্ব তহবিল থেকে ৬ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন, যার জন্য সমগ্র স্কুল পরিবার তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।”

এদিন স্কুলের এনসিসি দল, মহিলা দল খাদ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। মঞ্চ থেকে স্কুলের কৃতী ছাত্রদের সম্মানিত করা হয়। এদিনের এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অশিক্ষক কর্মচারী এবং ছাত্রদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিধন্য এই বৃক্ষ ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় আজ এক উৎসবমুখর এবং আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।‌



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন