Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

নাগরিক পরিষেবা ও ‘পুলসাইড ইন’ নিয়ে উত্তপ্ত বনগাঁ পুরসভার বোর্ড মিটিং

 

Municipal-board-meeting

সমকালীন প্রতিবেদন : বনগাঁ থানা সংলগ্ন পুরসভার ‘পুলসাইড ইন’ এর ভবিষ্যৎ নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠলো পুরসভার বোর্ড মিটিং। পুরসভার অধিনে থাকা এই ভবনটি ভেঙে ফেলা হবে, নাকি অন্য কোনও ব্যবস্থা হবে, তাই নিয়েই মূলত সরগরম হয়ে ওঠে বৈঠক। যদিও এব্যাপারে পুরসভার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন পুরপ্রধান।

নির্দিষ্ট নিয়ম ও বিধি মেনে আজ বনগাঁ পুরসভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হল। পুর এলাকার একাধিক নাগরিক সমস্যা, থমকে থাকা উন্নয়নমূলক কাজ এবং পরিষেবা সংক্রান্ত নানা বিষয়ের পাশাপাশি এদিনের বৈঠকে বিশেষভাবে উঠে আসে বহুচর্চিত ‘পুলসাইড ইন’-এর প্রসঙ্গ।

পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, এদিনের হাইভোল্টেজ বোর্ড মিটিংয়ে দেবদাস মণ্ডল-সহ মোট ১৬ জন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কাউন্সিলর দেবদাস মণ্ডলকে প্রশ্ন করা হয়, পুর এলাকায় নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে কি না? এই প্রশ্নের উত্তরে অবশ্য তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। 

দেবদাসবাবু জানান, পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেবেন খোদ পুরপ্রধান। তবে তিনি যোগ করেন, “পুরসভার যেসব জনকল্যাণমূলক ও পরিষেবা মূলক কাজ বর্তমানে অর্ধেক হয়ে থমকে রয়েছে, সেগুলি যাতে দ্রুত শেষ করা হয়, তার জন্য পুরপ্রধানকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।”

অন্যদিকে, বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত জানান বনগাঁ পুরসভার প্রধান দিলীপ মজুমদার। তিনি বলেন, “নির্দিষ্ট নিয়ম ও পদ্ধতি মেনেই অন্যান্য সাধারণ বোর্ড মিটিংয়ের মতোই এদিনের বৈঠকটি সুসম্পন্ন হয়েছে।” পুর এলাকার সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি এদিনের আলোচনায় ‘পুলসাইড ইন’ বিষয়টি যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে, তা স্বীকার করে নেন পুরপ্রধান। 

তবে এই বিষয়ে পুরসভার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা স্পষ্ট করে তিনি জানান, “পুলসাইড ইন সংক্রান্ত বিষয়টি বর্তমানে আদালতের বিচারাধীন। ফলে এই মুহূর্তে এ নিয়ে বাড়তি কিছু বলার নেই। মহামান্য আদালত যে নির্দেশ দেবে, সেই আইনি নির্দেশ মেনেই পুরসভা আগামী দিনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।”

পুরপ্রধানের বক্তব্য অনুযায়ী, এই ভবনটি পুরসভার সম্পত্তি। ফলে এটি এখনই ভেঙে ফেলার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। এদিন পুর এলাকার থমকে থাকা কাজগুলি দ্রুত শেষ করার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি আইনি জটিলতা কাটিয়ে ‘পুলসাইড ইন’ মামলার জল কোন দিকে গড়ায়, এখন সেটাই দেখার।‌




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন