Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

এবিআরএসএম-এর বার্ষিক জেলা সম্মেলনে জোর দেওয়া হলো ব্যক্তি ও রাষ্ট্র নির্মাণে

 

Annual-District-Conference

সমকালীন প্রতিবেদন : শিক্ষক সমাজের মতাদর্শগত ভাবধারা ও জাতীয়তাবাদী চেতনার ওপর ভর করে সুষ্ঠু সমাজ গঠনের আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ (এবিআরএসএম)-এর উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিতির বার্ষিক জেলা সম্মেলন। রবিবার বসিরহাট টাউন হলে আয়োজিত এই সম্মেলনে জেলার ৪০টি সার্কেল থেকে আগত প্রধান শিক্ষক, সহ শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মী মিলিয়ে প্রায় ৪০০ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনের ঐতিহ্য ও প্রথা মেনে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, ভারতমাতা ও দেবী সরস্বতীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং সরস্বতী বন্দনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের বিভাগ সঙ্ঘচালক সুকান্ত ঘোষ, এবিআরএসএম-এর রাজ্য সম্পাদক বিদ্যুৎ মজুমদার, রাজ্য যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ মন্ডল এবং রাজ্য সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর সিং। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি কৃষ্ণ গোপাল মন্ডল, জেলা সম্পাদক হিমাংশু হালদার সহ অন্যান্য জেলা সদস্যবৃন্দ।

সম্মেলনের মূল বক্তা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রচারক সুকান্ত ঘোষ সঙ্ঘের সূচনালগ্ন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দীর্ঘ পথচলা ও কার্যাবলী সংক্ষেপে তুলে ধরেন। তিনি সঙ্ঘের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ব্যক্তি নির্মাণ ও তার মাধ্যমে রাষ্ট্র নির্মাণের ওপর বিশেষ জোর দেন এবং এই মহৎ উদ্দেশ্যে শিক্ষক সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। অন্যদিকে, সমাজ গঠনে শিক্ষকদের অবদান নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন সুবল সরকার।

সভাপতির ভাষণে জেলা সভাপতি কৃষ্ণ গোপাল মন্ডল জাতীয়তাবাদী সরকার ও শিক্ষকদের অভিনন্দন জানান। তিনি উপস্থিত শিক্ষক মণ্ডলীকে স্বদেশ ও স্বধর্মের আদর্শে দীক্ষিত হয়ে নিজেদের নীতি ও আদর্শের জায়গায় আরও দৃঢ় হওয়ার আহ্বান জানান। সেই সাথে সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সাংগঠনিক বিস্তারের রূপরেখাও প্রকাশ করেন তিনি।


বার্ষিক প্রতিবেদনে গত এক বছরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের খতিয়ান তুলে ধরেন জেলা সম্পাদক হিমাংশু হালদার। তিনি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (টেট) সংক্রান্ত ডেপুটেশন প্রদান এবং রাজ্যের বিভিন্ন কর্মসূচিতে জেলা কমিটির সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি, সার্কেল স্তর থেকে জেলা স্তর পর্যন্ত সদস্য সংগ্রহ অভিযান জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা করেন। এরপর গত অর্থবর্ষের আয়-ব্যয়ের হিসাব পেশ করেন জেলা কোষাধ্যক্ষ ধীমান দাস। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী বর্ষের জন্য নতুন জেলা কমিটি গঠন করা হয়। সবশেষে জাতীয় মৈত্রীবন্ধন ও দেশাত্মবোধক গান 'বন্দেমাতরম' ধ্বনির মধ্য দিয়ে এই বার্ষিক সম্মেলনের সফল সমাপ্তি ঘটে।‌





কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন