সমকালীন প্রতিবেদন : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম বনগাঁ মহকুমা শাসকের দপ্তর। বৃহস্পতিবার ব্যাপক জনসমাগম ও বর্ণাঢ্য মিছিলের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। একই দিনে মহকুমার চারটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে প্রার্থীদের হয়ে শক্তিপ্রদর্শন করে মনোনয়ন জমা দিল এসইউসিআই।
এদিন বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাসের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা যায়। দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা বনগাঁ তৃণমূল সাংগঠনিক জেলা কার্যালয়ের সামনে জমায়েত হন। সেখান থেকেই শুরু হয় এক বিশাল মিছিল। মিছিলটি শহরের মতিগঞ্জ ঘড়ির মোড় ও বাটার মোড় পরিক্রমা করে মহকুমা শাসকের দপ্তরে এসে পৌঁছায়। প্রার্থীর সাথে ছিলেন তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব।
মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর আত্মবিশ্বাসের সুরে বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “আজকের এই জনজোয়ারই প্রমাণ করে দিচ্ছে যে ২০২৬-এ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জয়ী হয়ে গিয়েছেন। মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি আমাদের জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত করছে।”
তৃণমূলের পাশাপাশি এদিন বনগাঁ মহকুমার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রেই মনোনয়ন জমা দিলেন এসইউসিআই প্রার্থীরা। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ বনগাঁ রেল গেট এলাকা থেকে মিছিল শুরু করেন বামপন্থী এই দলটির সমর্থকরা। মহকুমা শাসকের দপ্তরে মনোনয়ন জমা দেওয়া প্রার্থীরা হলেন, গাইঘাটা: শিবানী মজুমদার, বনগাঁ দক্ষিণ: রবীন্দ্রনাথ বাড়ৈ, বনগাঁ উত্তর: শ্যামসুন্দর হালদার এবং বাগদা: স্বপন মণ্ডল। এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন দলের রাজ্য কমিটির সদস্য অশোক দাস এবং জেলা কমিটির সদস্য গৌতম দাস ও সুকুমার চক্রবর্তী।
মনোনয়ন পর্ব শেষে এসইউসিআই প্রার্থীরা কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় সরকারের জনবিরোধী নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁদের ভাষ্যমতে, শ্রমিক-কৃষক এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় বিধানসভার ভেতর ও বাইরে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং রাজনীতিকে দুর্নীতিমুক্ত করার পাশাপাশি উচ্চতর নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ডাক দেন দলের নেতৃত্বরা।








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন