সমকালীন প্রতিবেদন : বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণের আগে ফের উত্তেজনার সৃষ্টি হলো বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৪ নম্বর ওয়ার্ড। বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় বিবাদে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনিয়া বনগাঁ থানার সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে বসলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের নির্বাচনী প্রচারে পরিকল্পিতভাবে বাধা দেয় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনিয়ার অভিযোগ, বনগাঁ পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর পাপাই রাহার অনুগামীরা বিজেপি কর্মী এবং প্রার্থীকে প্রচারে বাধান দান করে। আর তাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।
এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে দলীয় কর্মীদের নিয়ে বনগাঁ থানার গেটের সামনে অবস্থানে বসেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, "দোষীদের গ্রেপ্তার না করলে এলাকায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপ করা উচিত।"
অন্যদিকে, যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর পাপাই রাহা। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, অশোক কীর্তনিয়া কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, প্রশাসনের একটি অংশ পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে বিজেপি প্রার্থীর হয়ে কাজ করছে।
ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী তথা স্থানীয় বাসিন্দা সীমা সরকারের অভিযোগ, তাঁরা স্রেফ কিছু প্রশ্ন করার জন্য রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু বিজেপি প্রার্থীর অনুগামী মহিলারা তাঁদের মারধর করে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতি শুরু হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন