বনগাঁ পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, বনগাঁ শহরের রামকৃষ্ণপল্লী এলাকার একটি পানীয় জলের প্ল্যান্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় গত বছরের জানুয়ারি মাস থেকে সেই প্ল্যান্ট বন্ধ করে দেয় বনগাঁ পুরসভা। এক বছর বন্ধ থাকার পর প্ল্যান্টের মালিক দীপঙ্কর বিশ্বাস বনগাঁ পুরসভার নতুন পুরপ্রধানের কাছে তার প্লান্ট ফের চালু করার জন্য আবেদন জানান।
এ ব্যাপারে পুরপ্রধান দিলীপ মজুমদার জানান, 'ওই পরিবারের অসহায়তার কথা চিন্তা করে তাকে সাময়িকভাবে প্লান্ট চালু করার অনুমোদন দেওয়া হয়। আর এই বিষয়টিকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিকৃতভাবে পরিবেশন করা হয়। ফেসবুকে একটি ভুয়ো আইডি থেকে অভিযোগ তোলা হয় যে, পুরপ্রধান ৭ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ওই ওয়াটার প্ল্যান্ট চালু করার অনুমোদন দিয়েছেন।'
এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ পুরপ্রধান এরপর পুরসভার অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেন যে, আজ থেকে বনগাঁ শহরের সমস্ত পানীয় জলের প্ল্যান্ট সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। প্রত্যেকটি প্ল্যান্টের মালিকদের উপযুক্ত সরকারি অনুমোদনের কাগজপত্র নিয়ে পুরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগে আবেদন জানাতে হবে। সেই কাগজপত্র যাচাই করে যদি সঠিক প্রমাণিত হয় তাহলেই সেইসব প্ল্যানগুলি চালু রাখার অনুমোদন দেওয়া হবে।
জানা গেছে, এই মুহূর্তে ওয়েস্ট বেঙ্গল প্যাকেজ ড্রিংকিং ওয়াটার ম্যানুফ্যাকচারার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে বনগাঁ পুরসভা এলাকায় তিনটি জল কোম্পানি রয়েছে, যারা বিভিন্ন পদ্ধতি মেনে বোতলবন্দি পানীয় জলের ব্যবসা করছে। শহরের বাইরে পঞ্চায়েত এলাকায় এমন আরও দুটি প্ল্যান রয়েছে। এর বাইরেও কিছু কিছু প্ল্যান্ট রয়েছে, যাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।







কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন