স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাত ২টো নাগাদ কলমবাগান বাজারের ভেতর থেকে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মুহূর্তের মধ্যে সেই আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। বাজারে থাকা চালের আড়ত, সবজির দোকান, মাছের বাজার এবং স্টেশনারি দোকানগুলো আগুনের গ্রাসে চলে যায়। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, ব্যবসায়ীরা তাঁদের দোকানের মালপত্র বের করার সুযোগটুকুও পাননি।
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকল বাহিনী। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ডোমকল থেকে দমকলের ২টি ইঞ্জিন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করে। দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে বাজারের একটি বড় অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
দমকল আধিকারিকদের প্রাথমিক অনুমান, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই সম্ভবত এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। তবে বাজারের ভেতরে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল বলে মনে করছেন দমকল কর্মীরা।
সোমবার ভোরে পোড়া দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। সামনেই বৈশাখ মাস, ব্যবসার মরসুমের আগে এই বিপর্যয়ে তাঁরা দিশেহারা। এক ব্যবসায়ী জানান, "সারা জীবনের পুঁজি দিয়ে দোকানটা সাজিয়েছিলাম, এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেল। এখন সংসার চলবে কীভাবে জানি না।"







কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন