সমকালীন প্রতিবেদন : বনগাঁর অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হল। জামিনে মুক্তির পর টলিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আইনি নোটিস পাঠালেন অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রী। তাঁর আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারির মাধ্যমে পাঠানো ওই নোটিসে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, পারিশ্রমিক ফেরত এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানানো হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত অভিনেত্রীর তরফে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
নোটিসে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমত, অনুষ্ঠানের পারিশ্রমিক হিসেবে মিমিকে দেওয়া ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা ফেরত চাওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময় রাত সাড়ে ৯টার পরিবর্তে তিনি প্রায় দু’ঘণ্টা পরে পৌঁছান এবং মঞ্চে উঠতে উঠতে সাড়ে ১১টা বেজে যায়। প্রশাসনের অনুমতি ছিল রাত ১২টা পর্যন্ত, ফলে অনুষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি তনয়ের।
দ্বিতীয়ত, মিমির দায়ের করা অভিযোগের জেরে তাঁকে গ্রেফতার ও জেলবন্দি হতে হয়েছে, যা তাঁর সামাজিক সম্মানহানির কারণ হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে নোটিসে। সেই কারণে ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জনসমক্ষে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় দেওয়ানি ও ফৌজদারি– উভয় ধরনের মামলার পথে হাঁটার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জানুয়ারি বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের বার্ষিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন মিমি চক্রবর্তী। সময় নিয়ে বিতর্কের জেরে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিনেত্রীর অভিযোগ, তাঁকে হেনস্থা করা হয়েছে। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তনয় শাস্ত্রী ও আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তী সময়ে আদালতে জামিন পান তনয়। একই সঙ্গে জানা যায়, আদালতে গোপন জবানবন্দিও দিয়েছেন অভিনেত্রী। ঘটনার পর থেকে সাংস্কৃতিক মহল ও স্থানীয় রাজনৈতিক পরিসরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। এখন নজর, এই আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়।








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন