সমকালীন প্রতিবেদন : এবার ডায়েট ছাড়াই ওজন কমবে বরফ জলে। ভোরে উঠে শরীরচর্চার প্রয়োজন নেই। তার পরেও ঝরঝর করে ওজন কমবে, কী ভাবে? ঝড়বে মেদও। দাঁড়িয়ে থাকলেই হবে কাজ। একটা ছোট্ট প্লেট করবে কামাল! কফি বা চায়ে মেশাতে হবে একটা ছোট্ট জিনিস। ধাঁধা নয়, আজকের প্রতিবেদনে আলোচনা করব কিভাবে ডায়েট এবং শরীরচর্চা ছাড়াই আপনি থাকবেন ফিট অ্যান্ড ফাইন।
অনেক সময় লক্ষ্য করবেন যে ডায়েট করেও ওজন কমছে না। আবার অনেকের তো ভোরে উঠে ব্যায়াম করার ইচ্ছাও হয় না। তাই এবার বরং ওজন কমানোর অন্য উপায় চেষ্টা করে দেখুন। তাতে দুটো লাভ। এক, ডায়েট ও শরীরচর্চা ছাড়াই ওজন কমবে। দুই, ক্যালোরি মেপে খাওয়ার প্রয়োজনও হবে না। সেক্ষেত্রে প্রথম কাজটাই করুন বরফ জল দিয়ে।
এক, বরফ জল : সকালে উঠে এক গ্লাস জলে বরফ দিয়ে সেই জল খেয়ে দেখতে পারেন। এতে পেটের প্রদাহ কমবে, অম্বলের সমস্যা দূর হবে। তবে সাইনাসের ধাত থাকলে, বরফজল খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
দুই, দাঁড়িয়ে থাকা : আগেই বললাম দাঁড়িয়ে থাকলেই কাজ হবে। ফোনে কথা বলার সময়ে বসে থাকবেন না। দাঁড়িয়ে থাকুন বা ঘোরাফেরা করুন। বেশির ভাগ মানুষজনই দীর্ঘ সময়ে বসে থাকেন। এই অভ্যেস ভীষণ খারাপ। ওই একটানা বসে থাকার অভ্যাসের কারণেই মেদ খুব দ্রুত বেড়ে যায়। তাই চেষ্টা করুন দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলতে। বা অন্যান্য কাজ দাঁড়িয়ে করতে।
তিন, ছোট প্লেট : ছোট প্লেটে খাবার নিন। তবে এক্ষেত্রে একটা হিসেব বুঝতে হবে। আপনি যতটুকু খান, তার অর্ধেক খাবার নিতে হবে প্লেটে। সেই খাবারই সময় নিয়ে চিবিয়ে খেতে হবে। তা হলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি ঢুকবে না।
চার, কফি বা চায়ে দারচিনি : দুধ-চিনি ছাড়া কালো কফি বা চায়ে দেড় গ্রামের মতো, অর্থাৎ এক চা-চামচ দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে হজমশক্তি যেমন বাড়বে, তেমনই ওজনও কমবে। প্রতি দিন নিয়ম করে দারচিনি মেশানো কফি খেলে কোমরের পরিধিও কমবে বলে দাবি করা হয়েছে একাধিক গবেষণায়। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই নাকি ঘটছে বাস্তবে।
পাঁচ, চুয়িং গাম : খাওয়ার ইচ্ছেটাকে কমাতে হবে আর তার জন্য ঠিক দু’টো মিলের মাঝে চুয়িং গাম চিবোন। এতে বারে বারে খাওয়ার ইচ্ছা কমে যাবে। চুয়িং গাম চিবোলে মিষ্টিযুক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছাও কমবে। তবে অবশ্যই মনে করে ‘সুগার ফ্রি’ চুয়িং গামই কিনবেন।
ছয়, সিঁড়ি : লিফ্ট ভুলে যান। বরং সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করুন। সিঁড়ি ভাঙলে কার্ডিয়াকের মতো ব্যায়ামও হয়ে যাবে।
অতএব শরীর চর্চা ছাড়াও এভাবেও ওজন কমানো সম্ভব। খুব হালকা ব্যাপার। চেষ্টা করে দেখতে ক্ষতি কি? না এটা আমাদের কথা নয়। অনেক ফিটনেস প্রশিক্ষকরাই জানিয়েছেন, নিয়মিত শরীরচর্চা করার সময় যাঁরা পাচ্ছেন না অথবা ডায়েট করে একঘেয়েমি এসে গিয়েছে, তাঁরা এরকম কিছু সহজ টোটকা মেনে দেখতে পারেন। এতেও ওজন কমবে এবং ভুলভাল খাওয়ার অভ্যাসটাও চলে যাবে।









কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন