Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৩

পরবর্তী চাঁদ মিশনে শিবশক্তি পয়েন্ট থেকে পাথর কুড়িয়ে আনবে চন্দ্রযান-৪

 

Chandrayaan-4

সমকালীন প্রতিবেদন : চাঁদের বুকে ইতিমধ্যে একাধিক ইতিহাস লিখে দিয়েছে ভারত। পালকের মতো চাঁদের মাটি ছুঁয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছে আমাদের দেশ। গত ২৩ আগস্ট চন্দ্রযান-৩ সফলভাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে। এই সাফল্যে ভারতকে বাহবা দিয়েছে গোটা বিশ্ব। 

তবে এখানেই শেষ নয়, কারণ ভবিষ্যতে আরো বড় পরিকল্পনা করছে ইসরো। এবার ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা চাঁদে ভবিষ্যৎ অভিযানের পরিকল্পনা করছে। 

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ডার বিক্রম যে জায়গাটিতে অবতরণ করেছিল, তার নামকরণ করা হয়েছিল, ‘শিব শক্তি পয়েন্ট’। এবার সেখান থেকেই মাটি তুলে পৃথিবীতে আনার ছক কষছে ভারত। 

ইসরো-র স্পেস অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার- এর ডিরেক্টর নীলেশ দেশাই পুনে সফরের সময় বলেন, ‘ইসরো এখন একটি বড় অভিযানের পরিকল্পনা করছে। যেখানে আমরা শিব শক্তি পয়েন্ট থেকে শিলা বা মাটির নমুনা নিয়ে আসার চেষ্টা করব। আশা করি, আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব।’ 

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এই অভিযানে চারটি মডিউল জড়িত থাকবে। আর সেগুলি হল– ট্রান্সফার মডিউল, ল্যান্ডার মডিউল, অ্যাসেন্ডার মডিউল এবং রি-এন্ট্রি মডিউল। প্রস্তাবিত অভিযানে দুটি পৃথক লঞ্চ যান থাকবে, যা এখনও পর্যন্ত ইসরোর সমস্ত চন্দ্র অভিযানের থেকে আলাদা। 

দেশাই বলেন, ‘জিএসএলভি মার্ক-টু ট্রান্সফারের ইজেকশন এবং রি-এন্ট্রি মডিউলগুলির জন্য ব্যবহার করা হবে। যেখানে লঞ্চ ভেহিকেল মার্ক-থ্রি কে উৎক্ষেপণের জন্য ব্যবহার করা হবে।’ 

পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিব শক্তি পয়েন্টে নমুনা সংগ্রহের জন্য একটি রোবোটিক আর্ম মেকানিজম ব্যবহার করা হবে। নমুনাগুলি প্রথমে অ্যাসেন্ডার মডিউলে স্থানান্তরিত বা লোড করা হবে। 

স্থানান্তর ও পুনঃপ্রবেশের পর মডিউলগুলো পৃথিবীতে ফিরে আসবে এবং অবতরণ করবে বলে পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই মিশনের জন্যও এক চন্দ্র দিন অর্থাৎ পৃথিবীর বুকে ১৪ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। জানা গেছে, এই মিশন হতে পারে ২০২৮ সাল নাগাদ। তাই এখন আরেক ইতিহাস রচনার দিনগোনা শুরু। 







‌‌

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন