Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

দিনের টুকিটাকি : ‌২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

মেধাতালিকায় গরমিল

এম. এড ‌এ ভর্তি সংক্রান্ত মেধাতালিকায় গরমিল ধরা পরলো বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েব সাইটে। আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে আবেদনকারীদের মধ্যে। জানা গেছে, এম. এড ‌এ ভর্তির জন্য ১০০ নম্বর বরাদ্দ আছে। তারমধ্যে ৬০ নম্বরের প্রবেশিকা পরীক্ষা এবং বাকি ৪০ নম্বর অ্যাকাডেমিক স্কোর। ১৪ সেপ্টেম্বর অনলাইনে প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়। এরপর সোমবার সন্ধেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে মেধা তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে ভাষা বিভাগে দেখা যায়, ১০০ নম্বরের মধ্যে ২ আবেদনকারীর একজন পেয়েছেন ২০০.২৮ এবং অন্যজন পেয়েছে ১৯৮.৩৮৫ নম্বর। এছাড়া, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২ আবেদনকারী পেয়েছেন যথাক্রমে ১৯৬.৩৬৭ ও ১৫১.২৭৫ নম্বর। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে। কিভাবে এমন ঘটনা ঘটলো, সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।


দু:‌স্থ–মেধাবীদের সম্বর্ধনা

পুরুলিয়া জেলা পরিষদের তৃণমূল সদস্যা বন্দনা মাহাতোর আর্থিক সহযোগিতায় দু:‌স্থ–মেধাবী পড়ুয়াদের সম্বর্ধনা দেওয়া হল। মঙ্গলবার দুপুরে পুরুলিয়ার কেন্দা কমিউনিটি হলে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এলাকার দু:স্থ‌–মেধাবী এবং শবর জনজাতির ছাত্রছাত্রীদের সম্মানিত করা হলো। বন্দনা মাহাতো ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুঞ্চা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কৃষ্ণচন্দ্র মাহাতো, কেন্দা চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক দিপ্তেশ মণ্ডল, শিক্ষক নেতা কালাচাঁদ মাহাতো সহ শিক্ষা অনুরাগীরা। অনুষ্ঠানে এ বছরের ১৪ জন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের দুঃস্থ–মেধাবীর হাতে শংসাপত্র, উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।  এলাকার ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করতে প্রতিবছরই এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বন্দনা মাহাতো। 


চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ

২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণ চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে যারা এখনও চাকরি পান নি, তাঁরা মঙ্গলবার বীরভূম জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন।  পাশাপাশি, এদিন তাঁরা জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদে একটি স্মারকলিপিও জমা দেন। তাঁদের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের আগে ২০২০ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, প্রত্যেক টেট উত্তীর্ণদের ধাপে ধাপে নিয়োগ করা হবে। কিন্তু সেই ঘোষণার পর বছরখানেক কেটে গেলেও তাঁদের অনেকেই এখনও চাকরি পান নি। এব্যাপারে সরকারি কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে কি না, তাও জানা যাচ্ছে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ দিন এই চাকরি প্রার্থীরা বিক্ষোভ এবং স্মারকলিপি জমা দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের চাকরির দাবি তুললেন।




ট্রেন থেকে পড়ে জখম

পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ট্রেন থেকে পড়ে গিয়ে জখম হলেন এক চাকরি প্রার্থী। সোমবার সন্ধেয় এই ঘটনা ঘটেছে বনগাঁ- শিয়ালদহ শাখার গুমা স্টেশনের কাছে। আবির রায় নামে জখম ওই পরীক্ষার্থীর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙার লক্ষীপুরে। ওই যুবক সোমবার কলকাতায় কোস্ট গার্ডের চাকরির পরীক্ষা দিয়ে এদিন বিকেলে ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি গেটের কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। ট্রেনটি বিড়া ছেড়ে গুমা স্টেশনে ছোকার আগে আচমকাই চলন্ত ট্রেনের গেট থেকে পরে যান। খবর পেয়ে গুরুতর জখম অবস্থায় জিআরপি এবং স্থানীয় মানুষ তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরে তাকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। 


ধৃত তিন দুষ্কৃতী

ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া তিন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানা এলাকার ঘটনা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতদের নাম সঞ্জয় দাস, সুব্রত বিশ্বাস ও শুভঙ্কর পোদ্দার। সোমবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গাইঘাটার জামদানি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে একটি সাবল, ছুরি, হাঁসুয়া উদ্ধার হয়েছে।  পুলিশের দাবি, জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা ওই এলাকায় ডাকাতির উদ্দেশ্য জড়ো হয়েছিল। মঙ্গলবার তাদের তিনজনকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হয়।








কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন