Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিশ্বজিৎ দাসের পর গ্রেপ্তার তাঁর গাড়ির চালক, উদ্ধার আরও আগ্নেয়াস্ত্র

 

More-firearms-recovered

সমকালীন প্রতিবেদন : ‌তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসের গ্রেপ্তারির ঘটনায় নতুন মোড়। তাঁকে গ্রেপ্তারের পর এবার তাঁর গাড়ির চালক কেয়ামত মণ্ডলকেও গ্রেপ্তার করল গোপালনগর থানার পুলিশ। শুধু তাই নয়, চালককে জিজ্ঞাসাবাদ ও তাকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে বিশ্বজিৎ দাসের বাড়ি থেকে আরও একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পরপর আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিশ্বজিৎ দাসের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে বলে গোপন সূত্রে খবর পায় পুলিশ। সেই খবরের ভিত্তিতেই গোপালনগর কালীবাড়ি এলাকায় তাঁর গাড়ি আটক করে তল্লাশি চালান পুলিশকর্মীরা। পুলিশের দাবি, সেই সময় বিশ্বজিৎ দাসের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

তবে পুলিশের দাবি, ওই সময় বিশ্বজিৎ দাসের গাড়ির চালক কেয়ামত মণ্ডল গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এরপর থেকেই তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সোমবার রাতেই কেয়ামতকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে বিশ্বজিৎ দাসের বাড়ি থেকে আরও একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এই ঘটনায় তদন্তের স্বার্থে ধৃত দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। আগ্নেয়াস্ত্রগুলি কোথা থেকে এল এবং সেগুলি কী উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তাও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকালে বিশ্বজিৎ দাস ও তাঁর গাড়ির চালক কেয়ামত মণ্ডলকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে দু’জনকেই সাত দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। বিচারক ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসের গ্রেপ্তারের পর তাঁর গাড়ির চালকের গ্রেপ্তারি এবং বাড়ি থেকে আরও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এখন আদালতের নির্দেশে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে আর কী কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।‌ যদিও বিশ্বজিৎ দাসের আইনজীবীর দাবি, গোটাটাই পুলিশের সাজানো। রাজনৈতিক কারণে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন