সমকালীন প্রতিবেদন : বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস উপলক্ষে এক অনন্য ও প্রশংসনীয় সামাজিক বার্তা প্রত্যক্ষ করল বনগাঁ শহর। সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখল উত্তর ২৪ পরগণা ফটোগ্রাফি অ্যাসোসিয়েশনের বনগাঁ শাখা। তাদের উদ্যোগে আয়োজিত বিশেষ কর্মসূচিতে এলাকার ১০০ জন শিশুর মুখে হাসি ফুটল।
পথ চলতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাদের হাতে খাতা, পেন সহ বিভিন্ন অত্যাবশ্যকীয় শিক্ষাসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পড়াশোনার উপকরণের পাশাপাশি শিশুদের আপ্যায়নের জন্য দেওয়া হয় শুকনো খাবারও। লেন্সের পেছনের শিল্পীরা যে কেবল দৃশ্যপট ক্যামেরাবন্দি করতেই সীমাবদ্ধ নন, বরং সমাজের প্রতি তাঁদের সমান দায়বদ্ধতা রয়েছে, এই মানবিক পদক্ষেপ সেই বার্তাই আরও একবার সুস্পষ্ট করল।
কেবল শৈশবকে উৎসাহিত করতেই এই আয়োজন সীমাবদ্ধ ছিল না। স্থানীয় প্রশাসনিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী সহ-আধিকারিকবৃন্দ ও সমাজের বিশিষ্ট গুণীজনদেরও এ দিন সম্মাননা জানানো হয়। আলোকচিত্রের মাধ্যম দিয়ে জীবনের নানা রঙ তুলে ধরার পাশাপাশি মানবিক দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল সংগঠনটি।
কার্যক্রম সম্পর্কে সংগঠনের বনগাঁ ইউনিটের সম্পাদক সুরজিৎ দাস তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করতে গিয়ে জানান যে, আলোকচিত্র শিল্প কেবল ফ্রেমের ভেতরের ছবিতেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সমাজকে ভিন্ন চোখে দেখার এবং পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক শক্তিশালী মাধ্যম। এমন শুভ দিনে শিশুদের শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ তাঁদের ভীষণ আনন্দ দিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও বনগাঁ অঞ্চলে এই ধরনের সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত এবং ট্রাফিক ওসি বিশ্বজিৎ হালদার সহ একাধিক সন্মানিয় ব্যাক্তিকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়। বিশেষ কোনো উৎসব বা দিবসকে উদযাপনের পাশাপাশি এমন সামাজিক দায়িত্ব পালনের চর্চা আগামীর দিনেও জারি থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন সকলে।







কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন