সমকালীন প্রতিবেদন : বনগাঁর নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতিতে এখন থেকে আর কোনও রাজনৈতিক দাদাগিরি থাকবে না। সমিতি চালাবেন অরাজনৈতি ব্যবসায়ীরা। কোনও রাজনৈতিক নেতা যদি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তোলাবাজি করার চেষ্টা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শনিবার সমিতিক কার্যালয়ে বলে এই সতর্কবার্তা দেন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া।
এদিন নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে রাজ্যের নতুন খাদ্যমন্ত্রীকে সম্মর্ধনা জানানো হয়। সমিতির কার্যালয়ে ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে পদ্মফুলের মালা পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর এক এক করে মন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় ফুল, মিষ্টি, গীতা, রামচন্দ্রের মূর্তি। ব্যবসায়ীদের অভ্যর্থনায় আপ্লুত মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া।
এব্যাপারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি এই ওয়ার্ডেরই বাসিন্দা। পাশাপাশি, একজন ব্যবসায়ী হিসেবে এই ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এতোদিন এই সমিতিতে দাদাগিরি চালিয়েছে পূর্বতন সরকার পক্ষের রাজনৈতিক নেতারা। কিন্তু এখন থেকে এই দাদাগিরি আর চলবে না। ব্যবসায়ীরা নিজেরা নিজেদের সমিতি নিজেদের মতো করে পরিচালনা করবেন।
খাদ্যমন্ত্রী এদিন আরও বলেন যে, তাঁর কাছে অভিযোগ আছে যে, আগের সরকারের আমলে এই সমিতির দখল নিয়েছিল তখনকার শাসকদলের কয়েকজন নেতা। তারা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে মোটা টাকা তোলা আদায় করেছে। অবিলম্বে সেইসব টাকা ফেরত না দিতে তাদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ করা হবে বলেও মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন।
নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সহ সম্পাদক অসীম সেন বলেন, 'অশোক কীর্তনীয়া আমাদের আপনজন। তিনি রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী হওয়ায় আমরা আপ্লুত। এই মার্কেটে নানাবিধ সমস্যা রয়েছে। এখন থেকে তাঁর সহযোগিতায় আমরা সেইসব সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করবো। মন্ত্রীর আশ্বাস অনুযায়ী এখন থেকে ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো করে সমিতি পরিচালনা করবেন।' এদিন মন্ত্রীর হাতে ব্যবসায়ী সমিতির মাছ ব্যবসায়ীরা ইলিশ মাছ তুলে দিয়ে বার্তা দেন যে, এখনও বাঙালি মাছে–ভাতেই আছে।







কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন