Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

রবিবারের ভোট প্রচারে জমজমাট বনগাঁ

 ‌

Sunday-Election-Campaign

সমকালীন প্রতিবেদন : রবিবার ছুটির দিন, বনগাঁয় জমে উঠলো ভোট প্রচার। এদিন সকাল থেকেই বনগাঁর বিভিন্ন বাজার এলাকায় ভোট প্রচার সারলেন জুজুধান দুই দল তৃণমূল এবং বিজেপির প্রার্থীরা। প্রত্যেকেই তাঁদের দলের বক্তব্য তুলে ধরলেন ভোটারদের কাছে। 

এদিন সকালে বনগাঁর ট'বাজার এলাকায় প্রচার সারলেন বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়া। দ্বিতীয়বারের জন্য তিনি এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ট'‌বাজারের অলিগলি ঘুরে ভোটারদের কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে বিজেপির পক্ষে ভোট দানের আবেদন জানালেন। 

প্রচারের ফাঁকেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অশোক কীর্তনীয়া বলেন, '‌বিশ্বজিৎ দাসকে এলাকার মানুষ দলবদলু হিসেবে চিনে গেছেন। ২০২০ সালে তিনি বিজেপিতে যোগদান করে ২০২১ সালে বিজেপির টিকিটে বাগদা থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পরই তিনি ফের বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। আসলে তিনি বিজেপির মতো একটি রাষ্ট্রবাদী দলের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারেননি। তিনি তৃণমূলের মতো একটি কাটমানি খাওয়া দলের জন্যই উপযুক্ত।'

অশোক কীর্তনীয়ার দাবি অনুযায়ী, তিনি এবার পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে জয়লাভ করবেন। কারণ হিসেবে তিনি জানান, 'পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর যে চক্রান্ত, তার বিরুদ্ধে ভোট দেবেন মানুষ। শিক্ষিতরা তাঁদের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে বিজেপিকে ভোট দেবেন। শিল্পের পক্ষে পরিযায়ী শ্রমিকরা নিজেদের রাজ্যে ফিরে আসতে বিজেপিকে ভোট দেবেন। চাকরিজীবীরা ভোট দেবেন তাঁদের সপ্তম পে কমিশন পাওয়ার অধিকারের দাবিতে।'‌ 

অন্যদিকে, এদিন সকালে বনগাঁর দু'নম্বর রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে প্রচার সারেন বনগাঁ উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। সব মিলিয়ে তিনবারের বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস রাজনীতিতে যথেষ্ট অভিজ্ঞ। আর সেই অভিজ্ঞতার নিরিখে ভোটারদের মন জয় করতে দলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা তুলে ধরে ভোটাররা তার সুবিধা পাচ্ছেন কিনা, প্রচারে গিয়ে সে ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছেন। এদিন প্রার্থীর সঙ্গে প্রচারে ছিলেন বনগাঁ পুরসভার প্রধান দিলীপ মজুমদার, কাউন্সিলর টুম্পা রায় সহ অন্যান্যরা।

জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আশাবাদী বিশ্বজিৎ দাস বলেন, 'মানুষ গত পাঁচ বছর ধরে এলাকার বিধায়ককে পাননি। কিন্তু আমাকে বিধায়ক হিসেবে দশ বছর দেখেছেন। বনগাঁ আমার প্রানের শহর। এখানে আমি প্রতিনিয়ত কাজ করে গিয়েছি। বর্তমান বিধায়ককে কাছে না পেয়েও আমাকে পাওয়ায় মানুষ আমাকেই আপন করে নিচ্ছেন। তৃণমূলের উন্নয়নমূলক প্রকল্প রাজ্যের প্রতিটি পরিবারকে স্পর্শ করে গেছে।' এসআইআর–এ অনেক বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার দায় বিজেপির উপর চাপিয়ে দিয়ে বিশ্বজিৎ দাস বলেন, 'এসআইআর এর নামে বিজেপির চক্রান্তে মানুষ ক্ষুব্ধ।'‌

নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে এখনো প্রায় তিন সপ্তাহ বাকি। আর এই সময়টাকে দিনরাত এক করে ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন সবদলের প্রার্থীরাই। তবে শেষ পর্যন্ত কারা ভোটারদের আসল মন জয় করতে পারবে, সেটা সময়ই বলবে।‌




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন