Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

প্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহযোগী হিসেবে থাকছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ

 

State-Police-on-Election-Duty

সমকালীন প্রতিবেদন : আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নামছে নির্বাচন কমিশন। বুথের নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশাল বহরের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে রাজ্য পুলিশও। কমিশনের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রথম দফার এই লড়াইয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মোট ৪০ হাজার ৯২৮ জন রাজ্য পুলিশকর্মী ও আধিকারিক মোতায়েন করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফায় রাজ্যে ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। প্রতি কোম্পানিতে গড়ে ৭২ জন সদস্য ধরলে এই সংখ্যাটি দাঁড়ায় প্রায় ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৩০৪ জন। সেই তুলনায় রাজ্য পুলিশের সংখ্যাটি এক-চতুর্থাংশেরও কম হলেও, স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কমিশন।

কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফায় সবথেকে বেশি রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। প্রশাসনিক সুবিধার জন্য জেলাটিকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ৪,২১৬ জন এবং জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১,৫৫০ জন মিলিয়ে মোট ৫,৭৬৬ জন পুলিশকর্মী দায়িত্বে থাকছেন।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে কোচবিহারে ২,৩৭০ জন, মালদহে ২,৮১৮ জন, জলপাইগুড়িতে ১,৪৬৭ জন, দার্জিলিং ও কালিম্পং এ যথাক্রমে ১,১৭০ জন ও ৬২৭ জন, আলিপুরদুয়ারে ১,১৫৯ জন, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ১,২৯০ জন এবং  উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর ও রায়গঞ্জ মিলিয়ে ২,১২৩ জন পুলিশকর্মীকে মোতায় করা হবে।

ভোটের আঁচ বাড়ছে দক্ষিণবঙ্গ ও জঙ্গলমহলের জেলাগুলোতেও। স্পর্শকাতর এই এলাকাগুলোতেও পর্যাপ্ত বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এই তালিকায় বীরভূমে ৩,২৪৮ জন, বাঁকুড়ায় ৩,১২৭ জন, পুরুলিয়ায় ৩,০০৫ জন, ঝাড়গ্রামে ১,১০৮ জন, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে যথাক্রমে ৩,৯৮১ জন এবং ৩,৩২৭ জন এবং পশ্চিম বর্ধমানে (আসানসোল-দুর্গাপুর): ৩,১২৭ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন থাকবে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গলমহলের মতো এলাকাগুলোতে অতীতে অশান্তির নজির থাকায় এবার কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না কমিশন। একদিকে যেমন নজিরবিহীন সংখ্যার কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে, তেমনই স্থানীয় পরিস্থিতি সামলাতে রাজ্য পুলিশকেও সক্রিয় রাখা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের এই যৌথ পাহারায় শেষ পর্যন্ত ভোট কতটা শান্তিপূর্ণ হয়, এখন সেটাই দেখার।‌





কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন