Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: নির্ভয়ে ভোটদানের বার্তা দিতে বাগদায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার

Message-to-vote-without-fear

সমকালীন প্রতিবেদন : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্তবর্তী বাগদা এলাকায় বাড়তি তৎপরতা শুরু করল জেলা ও পুলিশ প্রশাসন। ভোটের দিন সাধারণ মানুষ যাতে কোনো প্রকার ভয় বা বাধা ছাড়াই বুথে গিয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে শনিবার সরাসরি ময়দানে নামলেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা।

এদিন উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরী সারিয়া এবং বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত বাগদার বিভিন্ন এলাকা ও বুথ সরেজমিন পরিদর্শন করেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং স্থানীয় বাগদা থানার পুলিশ আধিকারিকরা।

উল্লেখ্য, বিগত নির্বাচনগুলিতে বাগদা বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন অংশে বুথ জ্যামিং, ছাপ্পা ভোট এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের মতো অপ্রীতিকর ঘটনার ভুরিভুরি অভিযোগ সামনে এসেছিল। অতীতের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার কোমর বেঁধে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। অশান্তি রুখতে এবং স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দিতে বাগদাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। তাঁদের আশ্বস্ত করে জানানো হয় যে, প্রশাসনের কড়া নজরদারিতে এবার ভোট হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। ভোটাররা যাতে ভয়মুক্ত হয়ে বুথে আসতে পারেন, তার জন্য সবরকম প্রশাসনিক সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাগদা বিধানসভা এলাকার প্রায় ৯ কিলোমিটার অংশ অরক্ষিত বা খোলা সীমান্ত হওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ রয়েছে। জেলাশাসক শিল্পা গৌরী সারিয়া জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ বা বহিরাগতদের দৌরাত্ম্য রুখতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সমন্বয়ে এলাকায় সার্বক্ষণিক টহলদারি চালানো হবে। স্পর্শকাতর বুথগুলিতে সিসিটিভি এবং বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে।

পুলিশ সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখার আবেদন জানান। তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতা থাকলে এবার বাগদায় একটি 'মডেল নির্বাচন' সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। প্রশাসনের শীর্ষ স্তরের আধিকারিকদের এভাবে নিজেদের পাড়ায় সরাসরি কথা বলতে দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। স্থানীয় ভোটাররা প্রশাসনের এই সক্রিয় ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।






কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন