স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়া দলীয় কর্মীদের নিয়ে আরএস মাঠ এলাকা দিয়ে পায়ে হেঁটে প্রচার মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি ওয়ার্ডের অলিগলি ঘুরে যখন আরএস মাঠের ভেতরে ঢোকে, তখনই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের পতাকা হাতে একদল যুবক ও মহিলা রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে তাঁদের প্রচারে বাধা দিতে শুরু করেন।
বিজেপি প্রার্থীর উপস্থিতিতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তৃণমূল সমর্থকেরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করলে পাল্টা ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেন বিজেপি কর্মীরা। দুই শিবিরের এই বাদানুবাদ হাতাহাতির উপক্রম হলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সাধারণ বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বনগাঁ থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী যুযুধান দুই পক্ষকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়া এই ঘটনার জন্য সরাসরি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। তিনি বলেন, “তৃণমূল হার নিশ্চিত জেনেই পরিকল্পিতভাবে আমাদের প্রচারে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। স্থানীয় কাউন্সিলরের নির্দেশেই আজ গুণ্ডামি করা হয়েছে। এইভাবে বিজেপি কর্মীদের আটকে রাখা যাবে না। মনে রাখবেন, চার তারিখের পর সব অপকর্মের হিসাব হবে।”
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি জানান, “বিজেপির কাজই হলো অশান্তি পাকানো। বাংলার মানুষ দেখেছে আগের বিধায়ক তাঁদের বিপদে পাশে থাকেননি। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বুঝতে পেরেই বিজেপি এখন মিথ্যা নাটক করে এলাকায় দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। বিজেপির পক্ষ থেকেই প্রথমে উষ্কানি দেওয়া হয় বলে আমার কাছে খবর আছে।”







কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন