Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

বাংলায় এক দফায় ভোটের পরিকল্পনা বাতিল: ৯ মার্চ ফুল বেঞ্চের সফরের পরেই বাজতে পারে রণদামামা

 

Vote-in-Bengal

সমকালীন প্রতিবেদন : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি তুঙ্গে। তবে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যত স্পষ্ট করে দিল যে, এ রাজ্যে এক দফায় ভোট গ্রহণ সম্ভব নয়। রাজ্য সরকারের যুক্তি এবং প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতাকে মান্যতা দিয়ে কমিশন তাদের প্রাথমিক অবস্থান থেকে সরে এসেছে। সিইও কার্যালয় সূত্রে খবর, পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ভোটকর্মীর অভাবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে এক দফায় ভোট করানোর চিন্তাভাবনা শুরু করলেও বাস্তব পরিস্থিতির পর্যালোচনায় তা 'অবাস্তব' বলে প্রমাণিত হয়েছে। দু’দিনের ম্যারাথন বৈঠকের পর কমিশন এক দফার পরিকল্পনা বাতিল করেছে। যদিও ভোট ঠিক কত দফায় হবে, তা নিয়ে চূড়ান্ত কোনো রূপরেখা এখনো তৈরি হয়নি।

নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দল দু’দিন রাজ্যে অবস্থান করবেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, ডিজি এবং এসপি-দের সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশন সম্ভবত বিধানসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত নির্ঘণ্ট ঘোষণা করবে।

দিল্লি থেকে আসা সিনিয়র ডেপুটি কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন। স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কার্যকরভাবে মোতায়েন করার পাশাপাশি বাহিনীর জওয়ানরা যাতে কোনো প্রকার স্থানীয় আতিথেয়তা গ্রহণ না করেন, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। বাহিনীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজে লাগানোর ওপর জোর দিয়েছে কমিশন।

এবারের নির্বাচনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে 'ওয়েব কাস্টিং'-এর ক্ষেত্রে নজিরবিহীন কড়াকড়ি করা হচ্ছে। একজন সরকারি কর্মচারী চার ঘণ্টার বেশি নজরদারির দায়িত্বে থাকবেন না। ডিউটি শেষে প্রত্যেক অফিসারকে লিখিতভাবে জানাতে হবে যে তাঁর সময়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে কি না।

ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতাও থাকছে ডিউটিরত অফিসারদের। ভোট শেষের পরবর্তীকালে কোনো গোলযোগ ধরা পড়লে ওই অফিসার ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন। প্রয়োজনে মাইক্রো অবজার্ভারদের মতো কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদেরও ওয়েব কাস্টিংয়ের তদারকিতে যুক্ত করা হতে পারে। প্রশাসনিক কর্তাদের মতে, ফুল বেঞ্চের এই সফরই হবে নির্বাচনের আগে শেষ বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। এর পরেই হয়তো রাজ্যজুড়ে জারি হয়ে যাবে আদর্শ আচরণবিধি।‌




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন