সমকালীন প্রতিবেদন : আইপিএল শুরু হতে এখনও বাকি কয়েক সপ্তাহ। ৮ মার্চ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের পর ২৮ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ। স্বাভাবিক নিয়মে এর মধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে দলগুলি। কিন্তু টুর্নামেন্টের আগেই নতুন দুশ্চিন্তা ঘনিয়েছে আয়োজক ও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির কপালে।
এ বার সমস্যা চোট বা খেলোয়াড়দের ফর্ম নয়, বরং পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতি। দুবাই, দোহা, রিয়াধ, বাহরিন ও কুয়েতের আকাশপথে উড়ান স্থগিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক যাতায়াতে বড় ধাক্কা লেগেছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-র বিভিন্ন বিমানবন্দরে বহু যাত্রী আটকে পড়েছেন। ফলে বিদেশি ক্রিকেটার, কোচ ও সাপোর্ট স্টাফদের সময়মতো ভারতে পৌঁছনো নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।
সাধারণত ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা ইউএই-র ট্রানজিট হাব, বিশেষ করে দুবাই বিমানবন্দর ব্যবহার করে ভারতে আসেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই রুট কার্যত বাধাগ্রস্ত। তাই বিকল্প পথ খুঁজতে হচ্ছে দলগুলিকে। প্রি-সিজন ক্যাম্পের সূচি নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এখনও পর্যন্ত আইপিএলের সূচি পিছোনোর কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তবে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সে দিকে নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট মহল। বিষয়টি নজর এড়ায়নি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-এরও। এক বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির জন্য আইপিএল আয়োজন সরাসরি প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা কম।
তবে বহু ক্রিকেটার, ম্যাচ অফিসিয়াল, ব্রডকাস্ট টিম ও ইভেন্ট স্টাফ সাধারণত দুবাই বিমানবন্দরের উপর নির্ভর করেন টুর্নামেন্ট শেষে দেশে ফেরার জন্য। তাই ট্রাভেল ও লজিস্টিকস টিম ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া হয়ে বিকল্প রুটের সন্ধান করছে। পাশাপাশি আইসিসির পক্ষ থেকে একটি ট্রাভেল সাপোর্ট ডেস্ক খোলা হয়েছে এবং নিরাপত্তা পরামর্শদাতারাও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে।
আগামী সপ্তাহে আইপিএলের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ হতে পারে। তবে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে বিদেশি তারকাদের সময়মতো যোগ দেওয়া এবং প্রস্তুতি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়া– দু’টিই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে আয়োজকদের কাছে।








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন