Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

টিকিট না পেয়েই কি শান্তনুর দুয়ারে? তৃণমূল নেতা প্রমথ বসুর ঠাকুরবাড়ি সফর ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা

 

Pramatha-Basu-at-Thakurbari

সমকালীন প্রতিবেদন : ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই দলবদলের জল্পনা ও মান-অভিমানের পালা শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে। এই আবহেই বুধবার ঠাকুরনগরে এক ভিন্ন রাজনৈতিক চিত্র ধরা পড়ল। তৃণমূল নেতা প্রমথ বসুর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে সফর ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরির জল্পনা শুরু হয়েছে।

বুধবার সকালে প্রমথ বসুর গতিবিধি ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সূত্রের খবর, তিনি প্রথমে সাক্ষাৎ করেন সারা ভারত মতুয়া মহাসঙ্ঘের সংঘাধিপতি তথা তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ মমতা ঠাকুরের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের রেশ কাটতে না কাটতেই তিনি সোজা পৌঁছে যান বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বাসভবনে। শান্তনু ঠাকুর বর্তমানে দিল্লিতে থাকলেও তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁর স্ত্রী সোমা ঠাকুরের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন প্রমথ বসু।

রাজনৈতিক মহলের মতে, হাঁসখালি পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ প্রমথ বসু এবার বিধানসভার টিকিটের প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু তৃণমূলের ঘোষিত তালিকায় তাঁর নাম না থাকায় তিনি যারপরনাই মনঃক্ষুণ্ণ। তাঁর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে ইতিমধ্যেই তৃণমূল ও বিজেপি– উভয় পক্ষই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে তাঁর উপস্থিতি কি তবে 'বেসুরো' হওয়ার ইঙ্গিত? এই প্রশ্নেই এখন সরগরম বনগাঁর রাজনৈতিক অলিন্দ।

যদিও এই সাক্ষাৎকে একান্তই 'সৌজন্যমূলক' বলে দাবি করেছেন প্রমথ বসু নিজে। অন্যদিকে, মমতা ঠাকুর সমস্ত রাজনৈতিক জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে শান্তনু-জায়া সোমা ঠাকুরের মন্তব্য কিন্তু বেশ ইঙ্গিতপূর্ণ। প্রমথ বসুর আগমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "ঠাকুরবাড়িতে যে কেউ আসতে পারেন। তবে হয়তো ওনার মনে কোনো ব্যথা বা দলের প্রতি কোনো ক্ষোভ আছে।"

তৃণমূলের একজন পদাধিকারী এবং মতুয়া মহলে পরিচিত মুখ হয়েও প্রমথ বসুর এই 'ব্যালেন্সিং অ্যাক্ট' বিশেষ কোনো বার্তার ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরেও। তিনি কি শেষ পর্যন্ত তৃণমূলেই থাকবেন, নাকি নির্বাচনের আগে নতুন কোনো পথে হাঁটবেন, তা এখন সময়ের অপেক্ষা।‌




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন