Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬

বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালে ফের চালু সিজারিয়ান পরিষেবা, শুরু হলো ডিজিটাল এক্স-রে

 

Bagda-Rural-Hospital

সমকালীন প্রতিবেদন : স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড়সড় স্বস্তি ফিরল বাগদা সীমান্ত এলাকায়। দীর্ঘ টালবাহানা ও যান্ত্রিক সমস্যার জেরে বন্ধ হয়ে যাওয়া সিজারিয়ান (শল্যচিকিৎসার মাধ্যমে প্রসব) পরিষেবা পুনরায় চালু হলো বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালে। একই সঙ্গে বিধায়ক তহবিলের অর্থানুকূল্যে হাসপাতালের মুকুটে যুক্ত হলো আধুনিক ডিজিটাল এক্স-রে বিভাগ। এর ফলে বাগদার সাধারণ মানুষকে আর সামান্য এক্স-রে বা প্রসবকালীন অস্ত্রোপচারের জন্য ২২ কিলোমিটার দূরে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে ছুটে যেতে হবে না।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বছর কয়েক আগে স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে এই হাসপাতালে সিজারিয়ান ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। কিন্তু জেনারেটরের বিকলতা এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসকের অভাবে সেই পরিষেবা মাঝপথেই থমকে যায়। এতে ক্ষোভ ছড়িয়েছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সক্রিয়তায় প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা ব্যয়ে নতুন জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা এই পরিষেবা সচল রাখতে মূল ভূমিকা নেবে।

এদিন হাসপাতালের নতুন পালক হিসেবে যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল এক্স-রে বিভাগ। স্থানীয় বিধায়কের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের অর্থ দিয়ে এই অত্যাধুনিক যন্ত্রটি বসানো হয়েছে। এর ফলে দ্রুত এবং নির্ভুল রিপোর্ট পাওয়ার পাশাপাশি রোগীদের সময় ও অর্থ– উভয়ই সাশ্রয় হবে। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা ফের চালু হওয়ায় খুশির হাওয়া সমগ্র বাগদা ব্লক জুড়ে।

এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র ফিতে কাটার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বিশেষভাবে সক্ষম বেশ কয়েকজন মানুষের হাতে সরকারি প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট বা শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিদের মতে, সীমান্ত লাগোয়া এই গ্রামীণ হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়ন সাধারণ মানুষের দুয়ারে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি বড় পদক্ষেপ।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মধূপর্ণা ঠাকুর, বনগাঁ হাসপাতালের সুপার ডা: ‌কৃষ্ণচন্দ্র বাড়ুই, বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুদেবী মন্ডল সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। প্রশাসনের এই উদ্যোগে খুশি বাগদাবাসী মনে করছেন, এই পরিষেবার নিরবচ্ছিন্নতা বজায় থাকলে আগামী দিনে বনগাঁ হাসপাতালের ওপর চাপ যেমন কমবে, তেমনই উপকৃত হবেন বাগদার মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ।‌




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন