সমকালীন প্রতিবেদন : মতুয়া মহামেলা ও বারুণী স্নানকে কেন্দ্র করে পুণ্যার্থীদের ঢল নামতে চলেছে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে। এই বিশাল জনসমাগমকে সুশৃঙ্খল রাখতে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শুক্রবার মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করলেন বারাসত রেঞ্জের ডিআইজি অমিত পি জাভালগি এবং বনগাঁ পুলিশ জেলার সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত।
এদিন ডিআইজি এবং এসপি ঠাকুরবাড়ি সংলগ্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং মন্দিরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মেলা চলাকালীন লক্ষাধিক মানুষের ভিড় কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে, বিশেষ করে কামনাসাগরে স্নানের সময় পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে বিশেষ ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে।
ডিআইজি অমিত পি জাভালগি জানান, "মেলার প্রতিটি প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ভিড়ের সুযোগ নিয়ে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেদিকে আমাদের কড়া নজরদারি রয়েছে।"
নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে মেলা প্রাঙ্গণজুড়ে বসানো হচ্ছে কয়েকশ সিসি ক্যামেরা। এছাড়াও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
ঠাকুরনগরগামী রাস্তাগুলিতে যানজট এড়াতে ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ট্রাফিক প্ল্যান করা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে চব্বিশ ঘণ্টা সচল একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম খোলা হচ্ছে। মেলা চলাকালীন অসুস্থ পুণ্যার্থীদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য থাকছে একাধিক মেডিক্যাল ক্যাম্প এবং অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুণ্যার্থীদের যাতায়াত থেকে শুরু করে মেলা প্রাঙ্গণে অবস্থান, সবটাই যাতে শান্তিপূর্ণ হয়, তার জন্য পুলিশ ও প্রশাসন সর্বদা সতর্ক থাকবে। সাদা পোশাকের পুলিশের পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমেও আকাশপথে নজরদারি চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
ডিআইজি-র কথায়, "বিপুল সংখ্যক মানুষের আগমন আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জের, তবে আমরা প্রস্তুত। সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ও পুলিশের সক্রিয়তায় এবারও বারুণী মেলা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে।"








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন