সমকালীন প্রতিবেদন : গতবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি এখনও টাটকা। কিন্তু চলতি আসরে সুপার এইটে সেই প্রোটিয়াদের কাছেই ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়ে চাপে পড়ে গেল ভারত। এডেন মার্করামের নেতৃত্বে দক্ষিণ আফ্রিকার এই জয়ের পর সূর্যকুমার যাদবদের সেমিফাইনালে ওঠা নিয়ে তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন।
গ্রুপ পর্বে দাপট দেখালেও সুপার এইটে প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে অভিষেক শর্মা ও তিলক বর্মার ধারাবাহিক রান না পাওয়া দলের সমস্যাকে আরও প্রকট করেছে। দল নির্বাচন ও কৌশল নিয়েও সমালোচনার মুখে পড়েছেন কোচ গৌতম গম্ভীর ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হারায় নেট রান রেটেও বড় ধাক্কা লেগেছে, যা এখন সেমির লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে।
ভারতের সামনে এখন বাকি দুই ম্যাচ– ২৬ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবোয়ে এবং ১ মার্চ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। শেষ চারে উঠতে গেলে এই দুই ম্যাচ জেতা প্রায় বাধ্যতামূলক। জিতলে চার পয়েন্টে পৌঁছবে ভারত। তবে শুধু নিজেদের জয় যথেষ্ট নয়; নজর রাখতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবোয়ের পারফরম্যান্সের দিকেও।
যদি একাধিক দল সমান পয়েন্টে শেষ করে, সে ক্ষেত্রে নেট রান রেট নির্ধারক হবে। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারায় ভারতের রানরেট ইতিমধ্যেই চাপে। তাই পরের দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় দরকার হতে পারে। পয়েন্ট ও রানরেট সমান হলে মুখোমুখি লড়াইয়ের ফল দেখা হবে– সেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের কারণে ভারত পিছিয়ে। আবার বৃষ্টিবিঘ্নে সমীকরণ জটিল হলে আইসিসির র্যাঙ্কিংও বিবেচনায় আসতে পারে।
তবে একটি সুবিধা রয়েছে– সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলবে ভারত। ফলে অন্য ম্যাচগুলির ফল জেনে কৌশল ঠিক করার সুযোগ থাকবে। এখন দেখার, সমীকরণের অঙ্ক মেলাতে পারে কি না সূর্যদের দল, নাকি ৭৬ রানের এই হারই শেষ পর্যন্ত বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।







কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন