সমকালীন প্রতিবেদন : সঙ্গীতের আবেশ, শ্রদ্ধা ও মানবিকতার মেলবন্ধনে সম্পন্ন হল সপ্তসুর সঙ্গীত শিক্ষাকেন্দ্রের বার্ষিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় জাতীয় গান বন্দেমাতরম পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর সমবেত কণ্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশনে ভরে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ, যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়।
প্রতি বছরের মতো এ বছরও সপ্তসুরের মঞ্চে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এক শিল্পীকে সম্মাননা প্রদানের রীতি বজায় রাখা হয়। এ বছর সেই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয় দৃষ্টিহীন সঙ্গীত শিল্পী সুকুমার বিশ্বাসের হাতে। তাঁকে প্রদান করা হয় “অসীম শীল, রেবা শীল স্মৃতি সম্মাননা”, সঙ্গে ছিল আর্থিক সম্মান। সেই মুহূর্তে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন উপস্থিত শিল্পী ও দর্শকরা।
বনগাঁর নীলদর্পন হলে সপ্তসুরের শিক্ষিকা পুষ্পিতা শীলের পরিচালনায় বার্ষিক মিলন উৎসবের এই অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে ছিল উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত, ভজন, লোকসঙ্গীত এবং কিংবদন্তি সুরকার সলীল চৌধুরীর জনপ্রিয় কম্পোজিশন। শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত শিল্পীদের পরিবেশনায় মুগ্ধ হন দর্শকরা। প্রতিটি পরিবেশনাই ছিল পরিশীলিত ও যত্নে সাজানো।
বনগাঁর সপ্তসুর সঙ্গীত শিক্ষাকেন্দ্রের এই বার্ষিক অনুষ্ঠান শুধু একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাই নয়, বরং সঙ্গীতের মাধ্যমে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধের এক সুন্দর উদাহরণ হয়ে উঠল। সুর, সম্মান ও সংবেদনশীলতার এই মিলনমেলা দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।





কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন