Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬

বনগাঁয় কচ্ছপ পাচার চক্রে বড়সড় সাফল্য বন দপ্তরের, উদ্ধার ১০৫টি কচ্ছপ

 

Turtle-trafficking

সমকালীন প্রতিবেদন : ‌গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে সোমবার গভীর রাতে বনগাঁয় অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে ১০৫টি কচ্ছপ উদ্ধার করল জেলা বন দপ্তরের বনগাঁ রেঞ্জের আধিকারিকরা। খোলা বাজারে কচ্ছপ বিক্রি ও বাড়িতে মজুত রাখার অভিযোগে ওই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম রাধেশ্যাম কুন্ডু। তাঁর বাড়ি বনগাঁর শিমুলতলা এলাকায়।

বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত রাধেশ্যাম দীর্ঘদিন ধরেই খোলা বাজারে অবৈধভাবে কচ্ছপ বিক্রির সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ থেকে সে কচ্ছপের একটি বড় চালান নিয়ে আসে। উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলি ‘ইন্ডিয়ান ফ্ল্যাপ শিল্ড’ প্রজাতির, যাদের ওজন ৮০০ গ্রাম থেকে দেড় কিলোগ্রামের মধ্যে। এর মধ্যে বেশ কিছু কচ্ছপ ইতিমধ্যেই খোলা বাজারে বিক্রি করা হয়েছিল। বাকি ১০৫টি কচ্ছপ বাড়িতেই মজুত করে রাখা হয়।

সোমবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বনগাঁ রেঞ্জের আধিকারিকরা শিমুলতলায় রাধেশ্যামের বাড়িতে অভিযান চালান। সেখান থেকেই জীবিত অবস্থায় ১০৫টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরই খোলা বাজারে কচ্ছপ বিক্রি ও মজুত রাখার অভিযোগে রাধেশ্যাম কুন্ডুকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান ওয়াইল্ডলাইফ অ্যাক্ট, ২০২২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

মঙ্গলবার ধৃতকে বনগাঁ আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। এই প্রসঙ্গে বনগাঁ রেঞ্জ অফিসার দয়াল চক্রবর্তী জানান, “খোলা বাজারে কচ্ছপ বিক্রি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এই অভিযোগে রাধেশ্যাম কুন্ডুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ মেনে উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলিকে উপযুক্ত পরিবেশে ছেড়ে দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, কচ্ছপ বিক্রি যে বেআইনি, সে বিষয়ে জেলা বন দপ্তরের পক্ষ থেকে আগেও একাধিকবার প্রচার চালানো হয়েছে। তা সত্ত্বেও এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী এখনও এই বেআইনি কারবার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। বন দপ্তরের এই অভিযানে পাচারচক্রের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য মিলেছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।‌ এই ধরনের অভিযান জারি থাকবে বলে দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন