সমকালীন প্রতিবেদন : বাংলার মাটিতে এই আইফেল টাওয়ারটা দেখেছেন? এ যেন ছোট্ট এক টুকরো প্যারিস। কোথায় ঠিকানা? শীতের মরশুমে উইকএন্ডে অবশ্যই যেতে পারেন এখানে। শুধু এক্সাক্ট লোকেশন না, আজকের এই প্রতিবেদনে থাকবে বাংলার প্যারিসের মূল আকর্ষণ।
উঁচু টাওয়ার, তার নিচ দিয়ে বইছে নদী। আর সেই নদীর উপর একাধিক ব্রিজ। এই দৃশ্য দেখলেই মন ভরে যায়। ভাবছেন হাতে আঁকা ছবি? না ভুলটা ভাঙাবো। নিয়ে যাব আজ মালদহের সেই প্যারিসে। যেখানে গেলে আইফেল টাওয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে আছি এরকম অনুভূতি আসবে।
কি কি আছে সেখানে? প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের আদলে তৈরি উঁচু টাওয়ার। তারই নিচ দিয়ে বয়ে গেছে যেন নদী আর সেই নদীর ওপরে রয়েছে একাধিক ব্রিজ। এটা মালদহের একটা পার্কের ছবি। যে পার্কে ভিড় জমায় দেশ-বিদেশের শতাধিক প্রজাতির পাখিও।
শুনলে মুগ্ধ হবেন যে, এখানে গিয়ে খুব সামান্য সময়ের জন্য চোখের সাধ মিটিয়ে আপনাকে ফিরতে বাধ্য করবে না কেউ। কারণ পার্কে ঘুরতে আসা ভ্রমণকারীদের জন্য এখানে তৈরি করা হয়েছে বসার মতো মনোরম পরিবেশ। এমনকি রয়েছে ট্রি হাউস। খাওয়া-দাওয়ার জন্য রেস্তোরাঁ। আর ঝিলে বোটিং এর ব্যবস্থা। যেখানে আপনি আপনার কাছের মানুষের সাথে একটা দারুন মুহূর্ত উপভোগ করতে পারবেন।
ঠিকানাটা নোট করে নেবেন। মালদহের নিত্যানন্দপুরের দিলালপুর এলাকায় অবস্থিত এই পার্ক। এখানকার মনোরম পরিবেশ পর্যটকদের ভিড় বাড়াচ্ছে দিনকে দিন। বিশেষ করে হিমেল হাওয়ার পর্দা সরিয়ে আর শীতের রোদ গায়ে মেখে উইকএন্ড কাটানোর জন্য আপনার সেরা ডেস্টিনেশন হতেই পারে মালদহের এই ছোট্ট প্যারিস।
অবশ্য ছোট্ট শুধু মুখে বলা। প্রায় তিন একর এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে এই পার্ক। যেখানে অ্যাডভেঞ্চারের মতো ফিল দেওয়ার জন্য জঙ্গলের মতো মনোরম পরিবেশ যেন সাজানো হয়েছে রং তুলি দিয়ে। শতাধিক বড় বড় গাছ, প্রকৃতিকে ছুঁয়ে দেখার সুযোগ আর কাপলসদের জন্য ট্রি হাউস। যেখানে প্রিয় মানুষের সঙ্গে "কোয়ালিটি টাইম" কাটাতে পারবেন বলে দাবি পার্ক কর্তৃপক্ষের।
আর আইফেল টাওয়ারের আদলে যে উঁচু টাওয়ার তৈরি করা হয়েছে এখানে সেটা শুধুমাত্র পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণের কারণেই। তাইতো শহরের গা ঘেঁষা গ্রাম্য এলাকার এই পার্কে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভিড় জমে দেখার মতো। তাই এই শীতেই ঝটপট একটা পরিকল্পনা করে বেরিয়ে পড়ুন।








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন