Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কাকে দেখে ক্রিকেট খেলা শুরু করেন শুভমন গিল?

 

Shubham-Gill

সমকালীন প্রতিবেদন : প্রথম আইপিএল, তার পর ইংল্যান্ড। গত এক মাস ব্যাট হাতে সময়টা ভালই গিয়েছে শুভমন গিলের। ভারতের টেস্ট দলের অধিনায়ক হওয়ার পর টি-টোয়েন্টি দলের সহ-অধিনায়ক হয়েছেন। অর্থাৎ নেতৃত্বের পথও পরিষ্কার হচ্ছে। বিগত কয়েকবছরে যেমন ব্যাটার শুভমনের উত্থান দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব, তেমনই আবার অধিনায়ক গিলের জন্মও দেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট। 

সম্প্রতি অ্যাপল মিউজিকের একটি পডকাস্টে সেসব কথাই বলেছেন তিনি। সেখানে ক্রিকেট এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন গিল। তিনি ঠিক কী বলেছেন নিজেকে নিয়ে? চলুন সেটা একটু বিস্তারে জেনে নেওয়া যাক। দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটার হিসাবে বিবেচনা করা হয় শুভমনকে। ইনিংস শুরু করা থেকে ব্যাটিং অর্ডারের চার নম্বর জায়গা, স্বচ্ছন্দে খেলতে পারেন। 

শুভমনের ক্রিকেট শুরু সচিন তেন্ডুলকরকে আদর্শ করে। তবে তাঁর আদর্শ ক্রিকেটার দু’জন। শুভমন বলেছেন, ‘‘আমার দু’জন আদর্শ। প্রথম জন সচিন তেন্ডুলকর। বাবার প্রিয় ক্রিকেটার। সচিন স্যারকে দেখেই আমার ক্রিকেট শুরু। ২০১৩ সালে উনি অবসর নেন। সে সময় থেকেই ক্রিকেট বিষয়টা বুঝতে শিখি। ক্রিকেট তো শুধু দক্ষতার ব্যাপার নয়, খেলাটার মানসিক এবং কৌশলগত দিকও রয়েছে। সেগুলিও বুঝতে হয়। ২০১১ থেকে ২০১৩— এই সময়ের মধ্যে এ সব বুঝতে শুরু করি।’’ 

আদর্শ ক্রিকেটার নিয়ে শুভমন আরও বলেছেন, ‘‘সেই সময় থেকে বিরাট কোহলির খেলাও মন দিয়ে দেখতাম। কোহলির ব্যাটিং দেখতে খুব ভাল লাগত। ক্রিকেটের প্রতি কোহলির ভালবাসা এবং সাফল্যের খিদে আমাকে টানত। সব রকম ক্রিকেটীয় দক্ষতা এবং কৌশল শেখা যায়। কিন্তু খিদে ব্যাপারটা একদম আলাদা। এটা শেখা যায় না। ভিতর থেকে আসে। কোহলির মধ্যে যেটা প্রচুর ছিল। ওর এই বিষয়টা আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে।’’

ক্রিকেট জীবনের শুরুর গল্প বলতে বলতে শুভমন আরও বলেছেন, ‘‘দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ক্রিকেট খেলতাম ছোট বেলায়। কম করে ৬ ঘণ্টা তো বটেই। ট্রেনিং তেমন করতাম না। তবে সময়-সুযোগ পেলে চাষের কাজ করতাম। তাতে লাভ হত। অনেকে বলে প্রচুর পরিশ্রম করেছে ছোট বেলায়। আমার পরিশ্রম বলে মনে হত না। মনের আনন্দে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতাম। ক্লান্তি লাগত না।’’ 

কিন্তু শুভমনের কাছে ক্রিকেট কেন সবচেয়ে প্রিয়? এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘‘ক্রিকেট এমন একটা খেলা, যেটা বিনয়ী থাকতে বাধ্য করে। হয়তো আপনি সব ম্যাচ জিতেছেন। হয়তো আপনি দু’ম্যাচে ৫০০ রান করেছেন। কিন্তু একটা ম্যাচে ব্যর্থ হলেই শূন্যে নেমে যাবেন। আগেরগুলোর গুরুত্ব থাকবে না। এ জন্যই ক্রিকেট আমার সবচেয়ে প্রিয়।’’




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন