সমকালীন প্রতিবেদন : কেকেআরকে ট্রফি জিতিয়েছিলেন আগের মরসুমেই। সেই তিনিই কিনা আচমকা নাইট শিবির ছেড়ে চলে যান। এমন সিদ্ধান্তের পিছনে কারণ কী? তা নিয়ে চর্চার শেষ ছিল না গত মরসুমে। এখনও যে আলোচনা শেষ হয়েছে, তা বলা যাবে না। কেকেআর থেকে পঞ্জাবে চলে যান শ্রেয়স আইয়ার। সাফল্যও পেয়েছিলেন। ব্যাটার হিসেবে তো বটেই, ক্যাপ্টেন হিসেবেও।
অনেক দিন পর টিম হিসেবে আইপিএলে নিজেদের তুলে ধরেছিল পঞ্জাব কিংস। প্রীতি জিন্টা এবং কোচ রিকি পন্টিং যে তাঁর উপর আস্থা রেখে ভুল করেননি, তা প্রমাণ করে দিয়েছিলেন। সেই শ্রেয়স এতদিন পর মুখ খুলেছেন কেকেআর ছাড়া নিয়ে। সম্প্রতি ‘আইকু ইন্ডিয়া’র পডকাস্টে শ্রেয়স বলেছেন, “যখন জানেন যে আপনি দলে থাকার যোগ্য, প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার যোগ্য, তার পরেও বাদ পড়লে খুব হতাশ লাগে। নিঃসন্দেহে এশিয়া কাপ থেকে বাদ পড়েও আমি খুব হতাশ হয়েছি।”
তবে শ্রেয়স মেনে নিয়েছেন, দলের স্বার্থের কাছে ব্যক্তিগত ইচ্ছা কিছুই নয়। বলেছেন, “একই সময়ে যদি দেখি কোনও ক্রিকেটার ভাল খেলছে, ধারাবাহিক ভাবে রান করার জন্য দলে জায়গা পেয়েছে এবং সেখানেও রান করছে, তখন তাঁর পাশে দাঁড়ানো ছাড়া আর কিছুই ভাবি না। আসল কথা হল দলের জেতা। দল জিতলে সকলে খুশি হবে।”
দল থেকে বাদ পড়লেও তাঁর পরিশ্রমে ঘাটতি হবে না বলে জানিয়েছেন শ্রেয়স। প্রাক্তন কেকেআর অধিনায়কের কথায়, “সুযোগ না পেলেও আপনাকে নিজের কাজ করে যেতেই হবে। যখন কেউ আপনাকে দেখছে, শুধু তখন কাজ করলে হবে না। কেউ না দেখলেও আপনাকে নিজের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।”
গতবারের নিলামের আগে শ্রেয়সকে ছেড়ে দিয়েছিল কেকেআর। জানা গিয়েছিল, তিনি নিজেই আর কলকাতায় থাকতে চাইছিলেন না। নিলামে ২৬ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় শ্রেয়সকে কিনেছিল পঞ্জাব কিংস। নতুন দলকে প্রথমবারই ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি। আইপিএল জেতাতে না পারলেও পঞ্জাবে যে সম্মান তিনি পেয়েছেন, সে কথা জানিয়েছেন শ্রেয়স।
উল্লেখ্য, কেরিয়ারে বারবার উত্থান পতনের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন শ্রেয়স। গত আইপিএলে ব্যাটার এবং ক্যাপ্টেন হিসেবে যথেষ্ট সফল হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে এশিয়া কাপে নেওয়া হয়নি। যা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। অস্ট্রেলিয়া এ দলের বিরুদ্ধে ভারতীয় এ দলের ক্যাপ্টেন করা হয়েছে তাঁকে। শ্রেয়স আবার ভারতীয় দলে নিজের জায়গা ফিরে পেতে মরিয়া।








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন