Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রাত পোহালেই বাংলার ইলিশ ভারতে ঢুকবে

 ‌

Hilsa-of-Padma

সমকালীন প্রতিবেদন : বাংলাদেশ সরকারের বানিজ্য মন্ত্রকের অনুমতিক্রমে সেদেশের ৩৭ টি রপ্তানিকারী সংস্থাকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হল। প্রতিটি সংস্থাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মাছ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ‌বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশ অবশেষে এই বাংলায় প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রতিবছরের মতো এ বছরও পদ্মার ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। গত ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার বাণিজ্য মন্ত্রকের তরফে এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আর সেই খবর এই বাংলার ইলিশ কারবারিদের কাছে পৌঁছাতেই খুশির আবহাওয়া তৈরি হয়। 

সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক যে জায়গায় দাঁড়িয়েছে, সেখান থেকে এবছর ইলিশ আমদানির আসা একপ্রকার ছেড়েই দিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। অবশেষে সুর নরম করে ইলিশ রপ্তানিতে অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সরকার। সেখানে রপ্তানির পরিমান এবং তারিখ উল্লেখ করে সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শর্তসাপেক্ষে মোট ১,২০০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা যাবে বলে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথি সহ আবেদনপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে কিলোপ্রতি সাড়ে ১২ ডলারে সেদেশের ব্যবসায়ীদের এই মাছ কিনতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। 

পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশের ইলিশের বিপুল চাহিদা থাকায় এরপর বাংলাদেশের বহু রপ্তানিকারী সংস্থা বাংলাদেশ সরকারের কাছে ইলিশ রপ্তানির জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে আবেদন জানায়। আর সেই আবেদনপত্রগুলির মধ্যে থেকে মাত্র ৩৭ টি সংস্থাকে বেছে নিয়ে তাদেরকে রপ্তানির পরিমান উল্লেখ করে আজ, মঙ্গলবার বাংলাদেশের বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন।

সেই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি প্রদান করা হচ্ছে। এক একটি সংস্থাকে সর্বনিম্ন ২০ মেট্রিক টন এবং সর্বচ্চো ৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই অনুমতির মেয়াদ থাকছে। অর্থাৎ এই সময়কালের মধ্যে অনুমতিপ্রাপ্ত সংস্থাদের মাছ রপ্তানির কাজ শেষ করতে হবে। 

যদিও এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনুমতিপ্রাপ্ত সমস্ত মাছ বাংলাদেশের রপ্তানিকারী সংস্থাগুলি ভারতে রপ্তানি করতে পারবে না বলেই মনে করছেন পশ্চিমবঙ্গের ফিস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অতুল দাস।  কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গত বছর ২,৪০০ মেট্রিক টনের অনুমতি মিললেও শেষ পর্যন্ত মাত্র ৬০০ মেট্রিক টন মাছ আমদানি করা সম্ভব হয়েছিল। 

উল্লেখ্য, এবছর ১,২০০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানালেন, ইতিমধ্যেই ইলিশ মাছ বোঝাই দুটি ট্রাক বাংলাদেশের ওপারে এসে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ভারতের দিক থেকে অনুমতি পেলে সেই ট্রাক পেট্রাপোল সীমান্তে প্রবেশ করবে।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন