সমকালীন প্রতিবেদন : দীর্ঘ প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় পর ব্যাংক জালিয়াতির মামলায় সিবিআইয়ের জালে ধরা পড়ল বনগাঁর পাইকপাড়ার বাসিন্দা পাপিয়া দাস। শুক্রবার সকালে বনগাঁ থানার সহযোগিতায় সিবিআই-এর একটি বিশেষ দল ওই মহিলাকে গ্রেফতার করে।
সূত্রের খবর, ২০১২ সালের একটি ব্যাংক জালিয়াতি মামলায় পাপিয়া দাসের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হয়েছিল। অভিযুক্ত পাপিয়া দাস বনগাঁর পাইকপাড়ার বাসিন্দা অলক দাসের স্ত্রী। এতদিন সে পুলিশের চোখ এড়িয়ে ছিল বলেই অনুমান। অবশেষে শুক্রবার সকালে সিবিআইয়ের একটি টিম বনগাঁ থানায় পৌঁছে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় পাইকপাড়ার বাড়িতে হানা দেয়।
এরপর সেখান থেকেই তাকে আটক করে গ্রেফতার দেখানো হয়। গ্রেফতারের পর সিবিআই কর্তারা পাপিয়া দাসকে নিয়ে প্রথমে বনগাঁ থানায় যান। সেখান থেকে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় তদন্তকারী দল।
যদিও এ ব্যাপারে পাপিয়া দাসের স্বামী অলক দাস সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। স্থানীয় মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দীর্ঘদিন পুরনো এই মামলায় কীভাবে ফের নতুন করে তদন্ত শুরু হলো, সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়।
এব্যাপারে স্থানীয় ঘাটবাওড় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আনিসুর রহমান জানান, অভিযুক্ত মহিলার বাড়ি ঘাটবাওড় গ্রাম পঞ্চায়েত লাগোয়া। তাকে এলাকায় কম দেখা যেত। ওই মহিলার বিরুদ্ধে এমন জালিয়াতির অভিযোগ থাকতে পারে, তা তাকে দেখে বোঝা যেত না। সিবিআই সূত্রে খবর, অভিযুক্তাকে শীঘ্রই বিশেষ আদালতে তোলা হবে। তদন্তের স্বার্থে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলেও অনুমান।







কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন