Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

অনলাইন গেমিং ব্যান হতেই বড় ক্ষতির মুখে ধোনি সহ একাধিক প্লেয়ার

 

Online-gaming

সমকালীন প্রতিবেদন : রিয়াল মানি গেম ভারত সরকার ব্যান করার পর সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছে ক্রিকেট। ড্রিম ইলেভেন, মাই ইলেভেন সার্কেলের মতো অ্যাপগুলো ক্রিকেটে বিপুল বিনিয়োগ করত ও তাদের আয়ের অধিকাংশই আসত এই ক্রিকেট থেকেই। সংস্থাগুলো ধাক্কা খাওয়ার ফলে বিসিসিআই-এর সমস্যা হয়েছে। এদের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছেন ক্রিকেটাররাও। 

রিপোর্টে প্রকাশ, এই ব্যানের ধাক্কা বিসিসিআই সেভাবে না খেলেও প্লেয়াররা খেতে পারেন। এর জেরে ধাক্কা খেতে পারেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো ক্রিকেটাররা। প্রায় ১৫০-২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে তাঁদের। সদ্যসমাপ্ত বাদল অধিবেশনে পাশ হওয়া ‘দ্য প্রমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব অনলাইন গেমিং বিল’-এর সুবাদে বন্ধ হতে পারে ড্রিম ১১, মাই ১১ সার্কেলের মতো ফ্যান্টাসি অ্যাপগুলি। 

ড্রিম ১১-এর সঙ্গে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত বিসিসিআইয়ের চুক্তি ছিল। প্রধান স্পনসর হিসাবে তিন বছরে ৩৫৮ কোটি টাকার চুক্তি ছিল দু’পক্ষে। অন্যদিকে, মাই ১১ সার্কেল অ্যাসোসিয়েট স্পনসর হিসাবে পাঁচ বছরের জন্য বিসিসিআইয়ের সঙ্গে চুক্তি ছিল। যার পরিমাণ ১২৫ কোটি টাকা।

তবে শুধু বিসিসিআই নয়, ক্রিকেটাররা ব্যক্তিগতভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। যেমন মোবাইল প্রিমিয়ার লিগের সঙ্গে ১০-১২ কোটি টাকার চুক্তি ছিল বিরাটের। এটিও একটি অনলাইন গেমিং সাইট। আবার ড্রিম ১১-র সঙ্গে রোহিত ও উইনজোর সঙ্গে ধোনির ৬-৭ কোটি টাকার চুক্তি রয়েছে। 

পাশাপাশি জশপ্রীত বুমরা, হার্দিক পাণ্ডিয়া, কেএল রাহুল, ঋষভ পন্থ, শুভমান গিলের মতো ক্রিকেটাররা বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। মহম্মদ সিরাজ, ওয়াশিংটন সুন্দরের মতো প্লেয়াররা এই ধরনের অ্যাপের প্রচারই করতেন। তাঁরা অন্য সংস্থার হয়ে প্রচার করেন না। তাঁদের ক্ষতির পরিমাণটা বেশি।

অনেক ক্রিকেটারের বিজ্ঞাপনী আয়ের ৫-১০ শতাংশ এই সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তি থেকে হয়। আবার অনেক ক্রিকেটারের আয়ের প্রায় ৫০ শতাংশ এই চুক্তি থেকে আসে। তারা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সব মিলিয়ে যার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১৫০-২০০ কোটি টাকা। পাশাপাশি মনে করা হচ্ছে, বিভিন্ন রাজ্যের ছোট টুর্নামেন্টগুলি এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সমস্যায় পড়বে। 

এদিকে আইপিএল-কে স্পনসর করত মাই ১১ সার্কেল। তারা বছরে বিসিসিআই-কে ১২৫ কোটি টাকা দিত। পাঁছ বছরের জন্য চুক্তির বাকি রয়েছে তিন বছর। এই টাকাটা বিসিসিআই পাবে না। অন্যদিকে কেকেআর, এলএসজি ও এসআরএইচ-কেও স্পনসর করত এই সংস্থাগুলি। তাদেরও ক্ষতি হবে। সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বিজ্ঞাপন ইন্ডাস্ট্রি বছরে ৮ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন