Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

বুধবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৪

গোপালনগরে ‌‌সিএএ এবং ১০০ দিনের কাজ নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের সমালোচনা নওশাদের

Naushad-Siddiqui

সমকালীন প্রতিবেদন : ‌'আগে রাস্তা হলে বোঝা যেতো ভোট আসছে। আর এখন সিএএ হবে বললে বোঝা যায় ভোট আসছে।'‌ বললেন আইএসএফের চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকী। ১০০ দিনের কাজের বকেয়া নিয়ে রাজ্য এবং কেন্দ্রের সংঘাত নিয়েও কড়া সমালোচনা করলেন নওশাদ।

বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগরের কামদেবপুর চারাবটতলায় একটি রক্তদান শিবিরে যোগ দেন ভাঙ্গরের বিধায়ক তথা আইএসএফ চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকী। সেখানে আয়োজিত অস্থায়ী মঞ্চ থেকে নওশাদ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন অর্থাৎ সিএএ নিয়ে বলেন, '২০১৯ সালে সিএএ করবে ভোট লুট হয়েছে। ২০২৪ এ সিএএ করবে বলে ভোট লুটের প্রস্তুতি নিচ্ছে।' 

‌এদিন তিনি বলেন, '‌আমি জোর গলায় বলে যাচ্ছি, সিএএ একটি ভোট ধরার কল। তৃণমূল তৃণমূলের মতো ব্যবহার করছে, বিজেপি বিজেপির মতো। ২০১৯ এর কথা ভুলে যায় নি রাজ্যের মানু্ষ। তখন অমিত শাহ বারবার এসে সিএএ এর কথা বলে গিয়েছিলেন। ২০২১ এ ভোটের সময় যোগী থেকে শুরু করে অমিত শাহ এসে বলেছিলেন সিএএ করব।' 

‌নওশাদ সিদ্দিকী আরও বলেন, '‌মমতা ব্যানার্জি, অভিষেক ব্যানার্জি এবং তাঁদের দলের সাঙ্গোপাঙ্গোরা সিএএকে আটকাবো আটকাবো করছে এবং ওরা বলছে করব করব। এই করে ভোটটাকে সুন্দরভাবে ভাগ করে নিলো। ভোট মিটে গেলেও কোন খবর নেই। একটা সময় রাস্তা মেরামত হলে আমরা বুঝতাম ভোট আসছে। এখন সিএএ এর কথা কানে আসলে বুঝতে পারি ভোট আসছে।'‌ 

এদিন তিনি প্রশ্ন করেন, 'মতুয়ারা কি নাগরিক নয়? মতুয়া ভাইদের উদ্দেশে বলছি, ভোট আসছে তাই তাদেরকে বোকা বানানো হচ্ছে।' এদিন ১০০ দিনের বকেয়া টাকা নিয়ে রাজ্য ‌ও কেন্দ্রের সংঘাত প্রসঙ্গে নওশাদ কড়া সমালোচনা করেন।

এদিন তিনি বলেন, 'আপনারা এখানে অনেকেই আছেন, যারা ১০০ দিনের কাজ করে টাকা পাননি। বিজেপি এবং তৃণমূল দুজনেই নোংরা রাজনীতি করছে। আপনার এলাকার বিজেপির এমএলএ, এমপিকে বলবেন, আমি ভাঙ্গরের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী প্রশ্ন করে বলেছি, পশ্চিমবাংলায় কুড়ি লক্ষের অধিক ‌১০০ দিনের কাজ করেছে, যারা একটারও টাকা কেন্দ্রের অপদার্থ সরকার দিচ্ছে না কেন।' 

‌শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, '‌বিজেপির নেতা, মন্ত্রীদেরকে জিজ্ঞেস করবেন ১০০ দিনের কাজের আইনে আছে, কাজ করার ১৫ দিনের মধ্যে যে কাজ করেছে, তার টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে। আর কত ১৫ দিন পার করে আপনারা টাকা দেবেন, তার তারিখটা অন্তত বলুন। সাড়ে ১৪ লক্ষ ফেক জব কার্ড বানিয়েছে তৃণমূলের নেতারা। বিজেপির কেন্দ্রের নেতারা তাদেরকে জেলে নিয়ে যাচ্ছে না কেন।' 

‌দাবির সুরে এদিন নওশাদ বলেন, 'আমরা চাই যারা ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি করেছে, তাদেরকে জেলের ভেতরে রাখুক। তৃণমূল কংগ্রেস এটাকে নিয়ে নাটক করছে। তারা বলছে, কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিচ্ছে না। এটা নিয়ে মিছিল মিটিং করছে। দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলন করছে। কিন্তু আসল যে জায়গায় গেলে টাকা পাওয়া যাবে সেখানে যাচ্ছে না।'‌‌




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন