Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩

দুঃসাহসিক স্পোর্টসে পুনের শীতল হার মানিয়েছেন পৃথিবীর সব মহিলাদের

 

Skydiver-Shital-Mahajan

সমকালীন প্রতিবেদন : ভারতীয় স্কাইডাইভার শীতল মহাজন এক্সট্রিম স্পোর্টস বিভাগে এখন কার্যত কিংবদন্তি। কারণ, স্কাই ডাইভিংয়ের অলিম্পিক্স এখন তাঁর দখলেই। এর জন্য প্রথমে উত্তর মেরু, তারপর দক্ষিণ মেরু এবং সর্বশেষ তথা সবচেয়ে কঠিন, এভারেস্ট, বিশ্বের সব উঁচু পর্বত থেকেই ঝাঁপ দিয়েছেন পুনের এই শীতল। 

শীতলের আগে বিশ্বে কোনও মহিলা এই কীর্তি ছুঁয়েও দেখতে পারেননি। তাঁর ক্ষেত্রে যেন অবাধ হয়নি তাঁর বয়স। কারণ, এই অনন্য কীর্তি ছোঁয়ার সময় শীতলের বয়স ছিল ৪১ বছর। চল্লিশ পেরনো কেউ এই অসম সাহসী কাজ করার ক্ষমতা দেখাননি। শীতল সেই পথও খুলে দিলেন ভবিষ্যতের জন্য।

পুণের ফার্গুসন কলেজের কৃতী ছাত্রী শীতলের আগ্রহের তালিকায় বরাবরই একেবারে উপরের দিকে ছিল আকাশ। সেই আকাশে ঝাঁপ দিয়ে পাখির মতো ভেসে বেড়ানোর ইচ্ছে তাঁর বহু দিনের। কিন্তু ভারতে তেমন পরিকাঠামো কোথায়? 

কিন্তু শীতল হাল ছাড়ার বান্দা নন। ভারতের মতো দেশে যে খেলা মূলত পুরুষ নিয়ন্ত্রিত, সেই স্কাই ডাইভিংয়ে অনন্য কীর্তি স্থাপন কিন্তু মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছে বাকিদেরও। অনেক মেয়েই এখন বড় হয়ে শীতল হতে চান।

আসলে, শীতলের গোটা জীবনই আকাশকে কেন্দ্র করে। বিয়ে করেছেন সেই সঙ্গীকে, যাঁর সঙ্গে প্রথম বার স্কাইডাইভ করেছিলেন। তাঁরাই ভারতের একমাত্র ‘স্কাইডাইভার কাপল’ যাঁরা সর্বাধিক ৫৭টি ঝাঁপ দিয়েছেন, একে অপরের হাত ধরে। বিয়ের পর যমজ বাচ্চার জন্ম দেন শীতল। 

তার পর ক্রমশ বাড়তে থাকে কাজের চাপ। বাচ্চাদের সামলানোর চাপ। বাড়ি, সন্তান সব সামলে শীতল কিন্তু আকাশকে মন থেকে দূরে সরিয়ে দেননি। সন্তানদের বয়স এক বছর হতেই আবার প্যারাশুট বেঁধে নেমে পড়েন শীতল। 

স্কাই ডাইভিংয়ে বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী শীতলের নজর এ বার স্পেস ডাইভিংয়ের দিকে। অর্থাৎ, পৃথিবীর সীমা ছাড়িয়ে মহাশূন্যে নিজের ক্ষমতা দেখানোর স্বপ্ন দেখছেন পুণের স্কাই ডাইভার। 

তাঁর এই স্বপ্ন হয়তো পূরণ হবে খুব তাড়াতাড়ি। কারণ, এই বিষয়ে ইতিমধ্যে ইসরোর সঙ্গে কথাবার্তা হয়েছে তাঁর। এখন অপেক্ষা শুধুই সময়ের। 







কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন