Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

শনিবার, ২২ জুলাই, ২০২৩

শান্তিনিকেতনকে ‌ফের চন্দন গাছে ভরিয়ে তোলা হবে

 

Santiniketan-is-filled-with-sandalwood-trees

সমকালীন প্রতিবেদন : ‌শান্তিনিকেতন ফিরে পাচ্ছে তার নিজস্ব চন্দন গাছ। আর এব্যাপারে অভিনব উদ্যোগ নিয়ে রাজ্য বন দপ্তর। শান্তিনিকেতনকে আবার নতুন করে চন্দন গাছে ভরিয়ে তোলা হবে। মূল্যবান শ্বেত এবং রক্ত চন্দন গাছের চারা বিপুল সংখ্যায় বিলি করা হয়েছে। এই কাজ ঠিক মতো করতে পারলে ৩/৪ বছরের মধ্যে আবার চন্দনের সৌরভে ভরে উঠবে শান্তিনিকেতন।

একসময় শ্বেত চন্দনের বন হিসেবে পরিচিত ছিল শান্তিনিকেতন। তবে গত কয়েক দশকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং কাঠ পাচারকারীদের দৌরাত্ম্যে ধীরে ধীরে হারিয়ে গিয়েছে সেখানকার বহু মূল্যবান চন্দন গাছ। এতে প্রশাসনের যেমন আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তেমনই ক্ষতি হয়েছে পরিবেশের। 

তবে ফের শান্তিনিকেতনকে চন্দন গাছে ভরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হল। বনবিভাগের বোলপুর ডিভিশন ঠিক করেছে ১৪ হাজার শ্বেত চন্দন এবং রক্ত চন্দন গাছ শান্তিনিকেতনে লাগানো হবে। ইতিহাস বলছে, মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম শান্তিনিকেতনে এসে ছাতিম এবং চন্দন গাছের জঙ্গল দেখে মোহিত হয়েছিলেন। 

পরবর্তীতে শান্তিনিকেতনের চন্দন এবং ছাতিম গাছের এই বিখ্যাত বন বহু লেখকের কলমে উঠে এসেছে। কিন্তু গত দু’দশকে শান্তিনিকেতনের গোটা ছবিটাই বদলে গেছে। 

প্রমোটিং, একের পর এক ফ্ল্যাট, রিসর্ট তৈরি ইত্যাদি কারণে নির্বিচারে কাটা হয়েছে চন্দন এবং ছাতিম গাছ। ফলে নিজস্ব রূপ হারিয়ে শান্তিনিকেতন এখন কংক্রিটের জঙ্গল। 

শান্তিনিকেতনের পুরনো চন্দন বন ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বনবিভাগ। পাশাপাশি মেহগিনি, শ্বেতি শাল, মহুল, শিশু, বট, অশ্বত্থ, গামার ইত্যাদি গাছের পরিমাণও বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

বোলপুর বন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ১৪ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত চারাগাছ বিতরণ করা হয়।  এই গাছগুলি শান্তিনিকেতনের বিভিন্ন জায়গায় লাগানো হবে। ফলে আগামী কয়েক বছর পরে সেই গাছ বড় হয়ে ভরিয়ে তুলবে চন্দনের গন্ধে।



  

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন