সমকালীন প্রতিবেদন : ব্যবসায়িক পার্টনার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২৪ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল বনগাঁ থানার পুলিশ। শনিবার শিলিগুড়ি থেকে প্রতাপ রায় নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের বাড়ি বনগাঁ থানা এলাকায়। রবিবার তাকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যবসায় পার্টনার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসিরহাটের বাসিন্দা জয়ন্ত দাসের কাছ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা নেন প্রতাপ রায়। ব্যবসায়িক অংশীদার হওয়ার আশায় ওই বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়েছিলেন জয়ন্ত। কিন্তু অভিযোগ, টাকা নেওয়ার পরেও তাঁকে ব্যবসায়িক অংশীদার করা হয়নি। এমনকী, দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও টাকা ফেরত পাননি তিনি।
অভিযোগ, পরবর্তীতে নিজের টাকা ফেরত চেয়ে প্রতাপ রায়ের কাছে দাবি জানান জয়ন্ত দাস। সেই সময় তাঁকে ২৪ লক্ষ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। কিন্তু ওই চেকটি ব্যাঙ্কে জমা দিতে গেলে অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা বাউন্স করে। এরপরই প্রতারণার অভিযোগ তুলে আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটেন জয়ন্ত।
২০২৫ সালে এই ঘটনায় বসিরহাট আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। অভিযোগকারীর আইনজীবীর দাবি, আদালত থেকে একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও প্রতাপ রায় হাজির হননি। বরং তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন বলে অভিযোগ।
অবশেষে শনিবার শিলিগুড়ি থেকে প্রতাপ রায়কে গ্রেফতার করে বনগাঁ থানার পুলিশ। তাকে গ্রেফতারের পর রবিবার বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। এই গ্রেফতারের ঘটনায় পুলিশের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেছেন অভিযোগকারীর আইনজীবী।
অভিযোগকারীর আইনজীবী জানান, ব্যবসায়িক অংশীদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর মক্কেলের কাছ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে টাকা ফেরত না পাওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হন জয়ন্ত দাস। একাধিকবার সমন পাঠানো সত্ত্বেও অভিযুক্তের হাজির না হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেছেন তিনি।








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন