সমকালীন প্রতিবেদন : রাজ্য সরকারের উদ্যোগে শুরু হওয়া ‘জনকল্যাণ শিবির’-এর প্রথম দিনেই ময়দানে নামলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। সোমবার কর্মসূচির প্রথম দিনে প্রতাপগড়-সহ একাধিক এলাকার শিবিরগুলি নিজে পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলে তাঁদের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজনের কথা শোনেন তিনি। এই শিবিরগুলির মূল লক্ষ্য যে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সঠিক উপায়ে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া এবং রাজ্যকে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত করা, তা এদিন স্পষ্ট করে দেন খাদ্যমন্ত্রী।
এদিন প্রতাপগড়ের শিবির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া বলেন, “এই জনকল্যাণ শিবির করার মূল উদ্দেশ্যই হলো সাধারণ মানুষকে নিরবচ্ছিন্ন ও সঠিক পরিষেবা দেওয়া। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যাতে তাঁদের প্রাপ্য সরকারি সুবিধা কোনো রকম হেনস্থা বা জটিলতা ছাড়া, একদম সঠিক পদ্ধতিতে নিজেরা পেয়ে যান, তা সুনিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।”
পরিদর্শন চলাকালীন রাজ্যের পূর্বতন রাজনৈতিক শাসনব্যবস্থাকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, আগের সরকার যেভাবে সর্বস্তরে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। মন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, “আগের সরকারের আমলের সেই প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি থেকে রাজ্যকে মুক্ত করাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। সমস্ত রকম দুর্নীতিকে সমূলে উপড়ে ফেলে পশ্চিমবঙ্গকে একটি স্বচ্ছ, জনমুখী এবং সম্পূর্ণ নতুন পশ্চিমবঙ্গ হিসেবে দেশের সামনে উপস্থাপন করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।”
খাদ্যমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, শিবিরের কাউন্টারগুলিতে আসা কোনও মানুষ যেন পরিষেবা না পেয়ে ফিরে না যান। সাধারণ মানুষের কাজের সুবিধার্থে এবং প্রথম দিনের এই গতি ধরে রাখতে আগামী দিনগুলিতেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নজরদারি চালানো হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। প্রথম দিনেই এই শিবিরগুলিকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে।

.jpeg)




কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন