সমকালীন প্রতিবেদন : ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর আপাতত বিশ্বজয়ের উদযাপনে মগ্ন টিম ইন্ডিয়া। তবে এই বিরতি দীর্ঘস্থায়ী নয়। ২৮ মার্চ থেকে শুরু হতে চলা আইপিএলের মেগা আসর শেষ হতেই ফের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ঠাসা সূচিতে প্রবেশ করবে ভারত। আর সেখানেই দেখা যাচ্ছে এক অভাবনীয় দৃশ্য।
ইংল্যান্ড থেকে নিউজিল্যান্ড– বিদেশের প্রতিটি ক্রিকেট বোর্ড এখন ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি নয়, বরং ওডিআই সিরিজ খেলতেই বেশি আগ্রহী। নেপথ্যে একমাত্র কারণ বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। কেন ওডিআই ফর্ম্যাটে এত ঝোঁক? ক্রিকেট মহলের খবর অনুযায়ী, রোহিত ও বিরাট বর্তমানে আন্তর্জাতিক স্তরে মূলত ওডিআই ফর্ম্যাটেই মনোনিবেশ করছেন।
২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ খেলে তাঁদের অবসরের সম্ভাবনা নিয়ে জোরালো জল্পনা রয়েছে। ফলে বিদেশি বোর্ডগুলো চাইছে, এই দুই মহাতারকাকে শেষবারের মতো তাঁদের দেশে খেলতে দেখার সুযোগ দর্শকদের হাতে তুলে দিতে। বিশেষ করে প্রবাসী ভারতীয়দের ভিড়ে স্টেডিয়াম হাউসফুল করা এবং সম্প্রচার স্বত্ব থেকে বড় অঙ্কের মুনাফা অর্জনই এখন লক্ষ্য শ্রীলঙ্কা বা ইংল্যান্ডের মতো দেশগুলোর।
সূচিতে বড় রদবদল বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে ওডিআই। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট বলছে, নিউজিল্যান্ড সফরে বড়সড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। কিউয়ি বোর্ড বিসিসিআই-এর কাছে বাড়তি ওডিআই খেলার প্রস্তাব দিয়েছে। ফলে আগের নির্ধারিত ৩টি ম্যাচের বদলে এখন ৫টি ওডিআই ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই পথে হাঁটছে আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডও।
বোর্ডের মতে, ইংল্যান্ড বা নিউজিল্যান্ডের মতো কন্ডিশনে যত বেশি ওডিআই খেলা যাবে, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ততটাই মজবুত হবে। উল্লেখ্য, আগামী ওডিআই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়ার মাটিতে। অনিশ্চয়তায় ঢাকা বাংলাদেশ ও ইউএই। সফরসূচিতে অনেক বদল এলেও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশ সফর নিয়ে আপাতত ধোঁয়াশা কাটেনি।
একই অবস্থা সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের ক্ষেত্রেও। এই সফরগুলো স্থগিত থাকায় নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরে ম্যাচের সংখ্যা বাড়িয়ে সেই ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বোর্ড। আপাতত ৩১ মে আইপিএল ফাইনাল পর্যন্ত কোহলি-রোহিতরা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও, জুলাই মাস থেকে বিদেশের মাটিতে 'কোহলি-ম্যানিয়া' ও 'হিটম্যান' শো দেখার জন্য মুখিয়ে আছে বিশ্ব ক্রিকেট।








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন